নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় বিশেষ অভিযানে ২ হাজার ৫০০ কেজি জাটকাসহ ছয়জনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. আশরাফ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে গত বুধবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার সোনাপুর-চেয়ারম্যানঘাট সড়কের মান্নান বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন- সুবর্ণচর উপজেলার মো. আরিফ (২৫), মো. মাসউদ (২৯), মো. আকবর হোসেন সবুজ (৩৪), মো. সালাউদ্দিন (৩৫), মো. নুরুল হুদা (৩৫) ও মো. জাবেদ হোসেন (৩০)। পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত বুধবার ১৪ জানুয়ারি রাতে উপজেলার সোনাপুর-চেয়ারম্যানঘাট সড়কের মান্নান বাজার এলাকা অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় দুটি পিকআপভ্যান থেকে ২ হাজার ৫০০ কেজি জাটকাসহ ছয়জনকে আটক করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আসামিদের সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহনেওয়াজ তানভীরের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে দোষ প্রমাণিত হওয়ায় এবং দোষ স্বীকার করায় তাদের ১৯৫০ সালের মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনের ৪/৫ ধারায় প্রত্যেক আসামিকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আশরাফ উদ্দিন জানান, তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যেকে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করায় তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। পরে জাটকাগুলো বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় বিশেষ অভিযানে ২ হাজার ৫০০ কেজি জাটকাসহ ছয়জনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. আশরাফ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে গত বুধবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার সোনাপুর-চেয়ারম্যানঘাট সড়কের মান্নান বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন- সুবর্ণচর উপজেলার মো. আরিফ (২৫), মো. মাসউদ (২৯), মো. আকবর হোসেন সবুজ (৩৪), মো. সালাউদ্দিন (৩৫), মো. নুরুল হুদা (৩৫) ও মো. জাবেদ হোসেন (৩০)। পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত বুধবার ১৪ জানুয়ারি রাতে উপজেলার সোনাপুর-চেয়ারম্যানঘাট সড়কের মান্নান বাজার এলাকা অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় দুটি পিকআপভ্যান থেকে ২ হাজার ৫০০ কেজি জাটকাসহ ছয়জনকে আটক করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আসামিদের সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহনেওয়াজ তানভীরের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে দোষ প্রমাণিত হওয়ায় এবং দোষ স্বীকার করায় তাদের ১৯৫০ সালের মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনের ৪/৫ ধারায় প্রত্যেক আসামিকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আশরাফ উদ্দিন জানান, তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যেকে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করায় তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। পরে জাটকাগুলো বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।