
স্পোর্টস ডেস্ক
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে এক ম্যাচ আগেই ছিটকে যায় নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে মাঠে নামে কিউইরা। সেই ম্যাচে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন কিউই পেসার লকি ফার্গুসন। ইতিহাসে সবচেয়ে ‘কৃপণ’ বোলিং করেছেন তিনি। পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে চার ওভার বল করেছেন ফার্গুসন। এই চার ওভারই মেডেন করেছেন তিনি। মানে কোনো রানই হজম করেননি এই কিউই পেসার। সেইসঙ্গে নিয়ে ৩টি উইকেট। টি-টোয়েন্টির ক্রিকেটে এত সফল বোলিং আর কারো নেই। ২০২১ সালে পানামার বিরুদ্ধে কানাডার সাদ বিন জাফরও চারটি মেডেন ওভার করেছিলেন। তবে তিনি দুটি উইকেট পেয়েছিলেন। সেটাও ছাপিয়ে গেলেন ফার্গুসন। ম্যাচ শেষে ফার্গুসন বলেন, 'ব্যাটিংয়ের জন্য কঠিন উইকেট। তবে এমন উইকেটে বোলিং করা আনন্দের। উচ্চাশা নিয়ে এসে আজই বিদায় নেওয়া হতাশার। তবে এটাই খেলা। খুব বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আমি পুরোটা সময় সিম-আপ বোলিং করিনি। উইকেটে সহায়তা ছিল। সুইংও হচ্ছিল।'
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে এক ম্যাচ আগেই ছিটকে যায় নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে মাঠে নামে কিউইরা। সেই ম্যাচে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন কিউই পেসার লকি ফার্গুসন। ইতিহাসে সবচেয়ে ‘কৃপণ’ বোলিং করেছেন তিনি। পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে চার ওভার বল করেছেন ফার্গুসন। এই চার ওভারই মেডেন করেছেন তিনি। মানে কোনো রানই হজম করেননি এই কিউই পেসার। সেইসঙ্গে নিয়ে ৩টি উইকেট। টি-টোয়েন্টির ক্রিকেটে এত সফল বোলিং আর কারো নেই। ২০২১ সালে পানামার বিরুদ্ধে কানাডার সাদ বিন জাফরও চারটি মেডেন ওভার করেছিলেন। তবে তিনি দুটি উইকেট পেয়েছিলেন। সেটাও ছাপিয়ে গেলেন ফার্গুসন। ম্যাচ শেষে ফার্গুসন বলেন, 'ব্যাটিংয়ের জন্য কঠিন উইকেট। তবে এমন উইকেটে বোলিং করা আনন্দের। উচ্চাশা নিয়ে এসে আজই বিদায় নেওয়া হতাশার। তবে এটাই খেলা। খুব বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আমি পুরোটা সময় সিম-আপ বোলিং করিনি। উইকেটে সহায়তা ছিল। সুইংও হচ্ছিল।'