
রাজধানীর গুলশান এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠছে পুলিশের সোর্সরা। নিজেরাতো অপরাধে জড়াচ্ছেই, পুলিশ সদস্যদের অপরাধে জড়ানোতে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করছে তারা। তাদের এ ধরনের উৎপাতে গুলশান তথা অভিজাত এলাকার মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ছে।
জানা গেছে, সমস্প্রতি গুলশান এলাকায় ছিনতাই, চুরি, মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। বিল্পব মজুমদার, খাইরুল বাশার লিমন, শহিদ মিয়া, মো. মুছা, ওসমান মিয়া, শিপন হাওলাদারসহ আরও অনেকের নাম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আছে। এর মধ্যে বিল্পবের নামেই গুলশানসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৩টি মামলা রয়েছে। এছাড়াও অন্যদের নামে রয়েছে একাধিক মামলা। এর মধ্যে ওসমান ও শিপন গুলশান থানায় দায়ের করা মামলায় ২৮ মে ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছে। শুধু তারাই নয়, আরও কয়েকজন আছে তাদের দলে। যাদের সারাদিন দেখা না গেলেও সন্ধ্যার পর আনাগোনা বেড়ে যায়, চলে গভীর রাত অব্দি। গুলশানের প্রধান সড়ক থেকে বিভিন্ন অলিগলিতে তারা ফাঁদ পেতে থাকে। প্রকাশ্যে কিংবা গাড়ি আটকিয়ে করেছে ছিনতাই। তবে মান সম্মানের ভয়ে অনেকেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে সাহস পাচ্ছে না। আবার তারা অপরাধ করে দ্রুতই স্থান ত্যাগ করে চলে যাচ্ছে। এ কারণে অনেকেই তাদের চিনতেও পারেন না। দিনের পর দিন তারা এ ধরনের অপরাধ করলেও এক শ্রেণির অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের কারণে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। এ কারণে ভুক্তভোগীরা পুলিশের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তেক্ষেপ কামনা করেছেন। না হলে সোর্স দ্বারা এই এলাকায় যেকোনো বড় ধরনের অপরাধ সংঘটিত হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
এ বিষয়ে কথা হয় গুলশান জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রিফাত রহমান শামিমের সঙ্গে। তিনি জানান, ‘সোর্সরা সাধারণত কোনো প্রকৃতির হয় তা আমরা-আপনারা সবাই জানি। তারপরও আমরা ওই ধরনের সোর্স এখন আর ব্যবহার করি না। তারপরও অতীতে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। গুলশান এলাকায় সোর্সের নামে এ রকম কোনো অপরাধী থাকলে তাকেও আমরা আইনে আওতায় নিয়ে আসবো। আবার আপনাদের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা দিয়ে সহযোগিতা করলে তাকেও আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।’
জানা গেছে, পুলিশ সোর্সরা স্বীকৃত কোনো সোর্স নয়। তাদের কারো কারো কোনো জবাবদিহিতাও নেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সোর্স মানি পায় না তারা। চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়, হয়রানি করে যে পুলিশ সদস্য যে বখরা পায় তার ভাগবাটোয়ারার একটি অংশ পায় পুলিশ সোর্স। পুলিশ সোর্সদের এলাকাভেদে তাদের অনেক সাঙ্কেতিক নাম আছে। কোনো এলাকায় নাম তাদের ‘ফর্মা’, কোনো এলাকায় ‘টিকটিকি’ ইত্যাদি। সাঙ্কেতিক নাম শুনেই অপরাধীরা সতর্ক হয়ে যায়। পুলিশ সোর্সদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ সদর দফতরে।
সূত্রে জানা গেছে, গুলশানের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ সোর্সদের এ ধরনের অপরাধের অসংখ্য অভিযোগ জমা পড়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ সদর দফতরে। অভিযোগের তদন্তও করা হচ্ছে। পুলিশের নাম ভাঙিয়ে ঘুষ, চাঁদাবাজি, বখরা আদায়সহ নানা ধরনের অপরাধী কার্যক্রম চালাচ্ছে পুলিশ সোর্সরা। যেই পুলিশ সোর্সরা অপরাধের রহস্য উদ্ঘাটন করবে সেই তারাই এখন অপরাধী কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়ছে। অপরাধী কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের ঘটনায় পুলিশ সোর্সদের মদদ যোগাচ্ছে এক শ্রেণির অসৎ পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশ সোর্সরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফুটপাতের দোকান থেকে চাঁদাবাজি, জমি দখল নিয়ে মধ্যস্থতা, এমনকি কাঁচামালের দোকান থেকেও চাঁদাবাজি করছে। অনেক সময় তারা নিজেদের পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সোর্সরা পরিচয় দিচ্ছে থানার ওসির ক্যাশিয়ার। আবার অনেক সোর্স কোনো ব্যক্তিকে আটক করে থানায় আনলে মোটা অঙ্কের টাকা মিলবে-এমন তথ্যও পুলিশ কর্মকর্তা বা সদস্যদের দিচ্ছে। এছাড়াও থানা এলাকার ফুটপাত, পরিবহন, মাদক স্পট থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজি, তোলাবাজি আদায়ের নেপথ্যে রয়েছে থানার অঘোষিত ও আত্মস্বীকৃত ক্যাশিয়ার ও পুলিশের সোর্সরা।
এ প্রসঙ্গে গুলশান জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রিফাত রহমান শামিম জানান, সোর্সরা সাধারণত কোনো প্রকৃতির হয় তা আমরা-আপনারা সবাই জানি। তারপরও আমরা ওই ধরনের সোর্স এখন আর ব্যবহার করি না। তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তারা কোনো অপরাধে জড়ালে অবশ্যই আইনে আওতায় আনা হবে। সুনির্দিষ্টভাবে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সহযোগিতা করুন, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।
জানা গেছে, সমস্প্রতি গুলশান এলাকায় ছিনতাই, চুরি, মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। বিল্পব মজুমদার, খাইরুল বাশার লিমন, শহিদ মিয়া, মো. মুছা, ওসমান মিয়া, শিপন হাওলাদারসহ আরও অনেকের নাম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আছে। এর মধ্যে বিল্পবের নামেই গুলশানসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৩টি মামলা রয়েছে। এছাড়াও অন্যদের নামে রয়েছে একাধিক মামলা। এর মধ্যে ওসমান ও শিপন গুলশান থানায় দায়ের করা মামলায় ২৮ মে ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছে। শুধু তারাই নয়, আরও কয়েকজন আছে তাদের দলে। যাদের সারাদিন দেখা না গেলেও সন্ধ্যার পর আনাগোনা বেড়ে যায়, চলে গভীর রাত অব্দি। গুলশানের প্রধান সড়ক থেকে বিভিন্ন অলিগলিতে তারা ফাঁদ পেতে থাকে। প্রকাশ্যে কিংবা গাড়ি আটকিয়ে করেছে ছিনতাই। তবে মান সম্মানের ভয়ে অনেকেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে সাহস পাচ্ছে না। আবার তারা অপরাধ করে দ্রুতই স্থান ত্যাগ করে চলে যাচ্ছে। এ কারণে অনেকেই তাদের চিনতেও পারেন না। দিনের পর দিন তারা এ ধরনের অপরাধ করলেও এক শ্রেণির অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের কারণে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। এ কারণে ভুক্তভোগীরা পুলিশের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তেক্ষেপ কামনা করেছেন। না হলে সোর্স দ্বারা এই এলাকায় যেকোনো বড় ধরনের অপরাধ সংঘটিত হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
এ বিষয়ে কথা হয় গুলশান জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রিফাত রহমান শামিমের সঙ্গে। তিনি জানান, ‘সোর্সরা সাধারণত কোনো প্রকৃতির হয় তা আমরা-আপনারা সবাই জানি। তারপরও আমরা ওই ধরনের সোর্স এখন আর ব্যবহার করি না। তারপরও অতীতে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। গুলশান এলাকায় সোর্সের নামে এ রকম কোনো অপরাধী থাকলে তাকেও আমরা আইনে আওতায় নিয়ে আসবো। আবার আপনাদের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা দিয়ে সহযোগিতা করলে তাকেও আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।’
জানা গেছে, পুলিশ সোর্সরা স্বীকৃত কোনো সোর্স নয়। তাদের কারো কারো কোনো জবাবদিহিতাও নেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সোর্স মানি পায় না তারা। চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়, হয়রানি করে যে পুলিশ সদস্য যে বখরা পায় তার ভাগবাটোয়ারার একটি অংশ পায় পুলিশ সোর্স। পুলিশ সোর্সদের এলাকাভেদে তাদের অনেক সাঙ্কেতিক নাম আছে। কোনো এলাকায় নাম তাদের ‘ফর্মা’, কোনো এলাকায় ‘টিকটিকি’ ইত্যাদি। সাঙ্কেতিক নাম শুনেই অপরাধীরা সতর্ক হয়ে যায়। পুলিশ সোর্সদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ সদর দফতরে।
সূত্রে জানা গেছে, গুলশানের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ সোর্সদের এ ধরনের অপরাধের অসংখ্য অভিযোগ জমা পড়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ সদর দফতরে। অভিযোগের তদন্তও করা হচ্ছে। পুলিশের নাম ভাঙিয়ে ঘুষ, চাঁদাবাজি, বখরা আদায়সহ নানা ধরনের অপরাধী কার্যক্রম চালাচ্ছে পুলিশ সোর্সরা। যেই পুলিশ সোর্সরা অপরাধের রহস্য উদ্ঘাটন করবে সেই তারাই এখন অপরাধী কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়ছে। অপরাধী কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের ঘটনায় পুলিশ সোর্সদের মদদ যোগাচ্ছে এক শ্রেণির অসৎ পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশ সোর্সরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফুটপাতের দোকান থেকে চাঁদাবাজি, জমি দখল নিয়ে মধ্যস্থতা, এমনকি কাঁচামালের দোকান থেকেও চাঁদাবাজি করছে। অনেক সময় তারা নিজেদের পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সোর্সরা পরিচয় দিচ্ছে থানার ওসির ক্যাশিয়ার। আবার অনেক সোর্স কোনো ব্যক্তিকে আটক করে থানায় আনলে মোটা অঙ্কের টাকা মিলবে-এমন তথ্যও পুলিশ কর্মকর্তা বা সদস্যদের দিচ্ছে। এছাড়াও থানা এলাকার ফুটপাত, পরিবহন, মাদক স্পট থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজি, তোলাবাজি আদায়ের নেপথ্যে রয়েছে থানার অঘোষিত ও আত্মস্বীকৃত ক্যাশিয়ার ও পুলিশের সোর্সরা।
এ প্রসঙ্গে গুলশান জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রিফাত রহমান শামিম জানান, সোর্সরা সাধারণত কোনো প্রকৃতির হয় তা আমরা-আপনারা সবাই জানি। তারপরও আমরা ওই ধরনের সোর্স এখন আর ব্যবহার করি না। তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তারা কোনো অপরাধে জড়ালে অবশ্যই আইনে আওতায় আনা হবে। সুনির্দিষ্টভাবে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সহযোগিতা করুন, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।