
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সার্ভার নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয় ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সরকারি সার্ভার ব্যবহার না করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় দেয়া হচ্ছে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ। তবে ডিএসসিসির নিজস্ব সার্ভারে করে দেয়া এসব সনদ গ্রহণ করছে না সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। ডিএসসিসি ও রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের দ্বন্দ্বের জেরে ভোগান্তিতে পড়েছে নাগরিকরা। ইতোমধ্যে রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের কেন্দ্রীয় সার্ভার থেকে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ নেয়ার জন্য ডিএসসিসিকে চিঠিও দেয় রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়। চিঠি দেয়ার পরও তা মানছে না ডিএসসিসি। স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন শাখা-১ এর উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম গত ১৩ মে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কেন্দ্রীয় সার্ভার ব্যবহার করার জন্য চিঠি দেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানকে।
চিঠিতে বলা হয়, ডিএসসিসি থেকে পৃথক সার্ভারের মাধ্যমে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সেবা প্রদান করা হলে নিবন্ধন কার্যক্রম নিয়ে সমন্বয়হীনতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে এবং পাসপোর্ট সেবাসহ অনেক ক্ষেত্রে নাগরিক দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেতে পারে। এজন্য কেন্দ্রীয়ভাবে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের সার্ভারের মাধ্যমে ডিএসসিসির জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুরোধ করা হয়। প্রায় ১৭ দিন পার হয়ে গেলেও এখনো ডিএসসিসি সার্ভারেই জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ইস্যু করে যাচ্ছে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। দুই সংস্থার দ্বন্দ্বে সাধারণ মানুষকে পড়তে হচ্ছে বেশ ভোগান্তিতে। এদিকে রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের কেন্দ্রীয় সার্ভার ডাউন থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নগরবাসীকে। আর এ কারণেই পৃথক সার্ভার তৈরি করে জন্ম সনদ ইস্যু করে ডিএসসিসি। নিজস্ব সার্ভার দিয়ে নিবন্ধন করতে পারায় ডিএসসিসি পাচ্ছে নিবন্ধন ফির। গত ৪ অক্টোবর থেকে জন্ম ও মৃত্যুর প্রায় ৭০ হাজার সনদ দিয়েছে ডিএসসিসি তাদের নিজস্ব সার্ভারের মাধ্যমে। যার ৬৮ হাজার ৬০৪টি জন্ম সনদ এবং ১ হাজার ৭০টি মৃত্যু সনদ। কিন্তু সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানই গ্রহণ করছে না ডিএসসিসির নিজস্ব সার্ভারের এসব নিবন্ধন।
কামরাঙ্গীরচরের বাসিন্দা বেপারী আরিফ বলেন, আমার ছোট মেয়ে তানহার জন্মনিবন্ধন করিয়েছি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে। কিন্তু এ জন্মনিবন্ধন নিচ্ছে না মেয়ের স্কুল কর্তৃপক্ষ। তারা বলছে, এই নিবন্ধন সরকারি জন্মনিবন্ধনের সাইট থেকে করে তারপর জমা দিতে। পরে ডিএসসিসিতে গেলে তারা আমাকে আশ্বাস দেয় এটা মূল সার্ভারে যোগ করে দিবে শিগগিরই। এভাবে নিজস্ব সার্ভার থেকে নিবন্ধন নেয়ার পর যখন কোনো কাজ হচ্ছে না তখন ভুক্তভোগীরা ডিএসসিসির দ্বারস্থ হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের জানানো হচ্ছে, শিগগির কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়া হবে। কিন্তু তা আর যুক্ত হচ্ছে না। এ ব্যাপারে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফজলে শামসুল কবির বলেন, রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের চিঠির বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না। এ বিষয়ে আমাদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কথা বলবেন। আমরা এখন পর্যন্ত আমাদের নিজেদের সার্ভারে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিচ্ছি। এ বিষয়ে জানতে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে একাধিকবার ফোন করে এবং হোয়াটসআপে বার্তা পাঠালেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
চিঠিতে বলা হয়, ডিএসসিসি থেকে পৃথক সার্ভারের মাধ্যমে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সেবা প্রদান করা হলে নিবন্ধন কার্যক্রম নিয়ে সমন্বয়হীনতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে এবং পাসপোর্ট সেবাসহ অনেক ক্ষেত্রে নাগরিক দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেতে পারে। এজন্য কেন্দ্রীয়ভাবে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের সার্ভারের মাধ্যমে ডিএসসিসির জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুরোধ করা হয়। প্রায় ১৭ দিন পার হয়ে গেলেও এখনো ডিএসসিসি সার্ভারেই জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ইস্যু করে যাচ্ছে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। দুই সংস্থার দ্বন্দ্বে সাধারণ মানুষকে পড়তে হচ্ছে বেশ ভোগান্তিতে। এদিকে রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের কেন্দ্রীয় সার্ভার ডাউন থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নগরবাসীকে। আর এ কারণেই পৃথক সার্ভার তৈরি করে জন্ম সনদ ইস্যু করে ডিএসসিসি। নিজস্ব সার্ভার দিয়ে নিবন্ধন করতে পারায় ডিএসসিসি পাচ্ছে নিবন্ধন ফির। গত ৪ অক্টোবর থেকে জন্ম ও মৃত্যুর প্রায় ৭০ হাজার সনদ দিয়েছে ডিএসসিসি তাদের নিজস্ব সার্ভারের মাধ্যমে। যার ৬৮ হাজার ৬০৪টি জন্ম সনদ এবং ১ হাজার ৭০টি মৃত্যু সনদ। কিন্তু সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানই গ্রহণ করছে না ডিএসসিসির নিজস্ব সার্ভারের এসব নিবন্ধন।
কামরাঙ্গীরচরের বাসিন্দা বেপারী আরিফ বলেন, আমার ছোট মেয়ে তানহার জন্মনিবন্ধন করিয়েছি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে। কিন্তু এ জন্মনিবন্ধন নিচ্ছে না মেয়ের স্কুল কর্তৃপক্ষ। তারা বলছে, এই নিবন্ধন সরকারি জন্মনিবন্ধনের সাইট থেকে করে তারপর জমা দিতে। পরে ডিএসসিসিতে গেলে তারা আমাকে আশ্বাস দেয় এটা মূল সার্ভারে যোগ করে দিবে শিগগিরই। এভাবে নিজস্ব সার্ভার থেকে নিবন্ধন নেয়ার পর যখন কোনো কাজ হচ্ছে না তখন ভুক্তভোগীরা ডিএসসিসির দ্বারস্থ হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের জানানো হচ্ছে, শিগগির কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়া হবে। কিন্তু তা আর যুক্ত হচ্ছে না। এ ব্যাপারে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফজলে শামসুল কবির বলেন, রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের চিঠির বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না। এ বিষয়ে আমাদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কথা বলবেন। আমরা এখন পর্যন্ত আমাদের নিজেদের সার্ভারে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিচ্ছি। এ বিষয়ে জানতে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে একাধিকবার ফোন করে এবং হোয়াটসআপে বার্তা পাঠালেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।