রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাজুড়ে চলছে যত্রতত্র রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি। নির্ধারিত সময়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ শেষ না করায় ভোগান্তি পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে কাজের গতি বাড়াতে সিটি কর্পোরেশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে নগরবাসী।
রাজধানীর মিরপুরে ৬০ ফিট রাস্তার ভাঙা ব্রিজ থেকে পীরেরবাগ পর্যন্ত বিদ্যুৎ লাইন প্রতিস্থাপনের কাজে প্রতি ৮০০ মিটার খুঁড়ে কাজ করার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। এছাড়া পীরেরবাগ থেকে বউবাজার পর্যন্ত ড্রেন সংস্কার ও রাস্তার নির্মাণকাজ একসাথে চলায় যানজটসহ নানা ভোগান্তিতে পড়েছে নগরবাসী। রাস্তাজুড়ে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখায় হাঁটতেও কষ্ট হচ্ছে এলাকাবাসীর। কিছু কিছু সংস্কার কাজ ৬ মাসে শেষ করার কথা থাকলেও পেরিয়ে গেছে ১১ মাস। একই অবস্থা ঝিগাতলা থেকে মোহাম্মদপুরের প্রধান সড়কগুলোতেও। বিদ্যুৎ লাইন, ড্রেনেজ ও রাস্তা সংস্কারের কাজ একসাথে চলায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয়রা। সংস্কার কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এলাকাবাসী। নগরীর উত্তরখান ও দক্ষিণখানে রাস্তার কাজ চলছে। খোঁড়াখুঁড়ির কারণে উত্তরখান ও দক্ষিণখানের কয়েক লাখ মানুষ যাতাযাতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
রাজধানীর মিরপুরে ৬০ ফিট রাস্তার ভাঙা ব্রিজ থেকে পীরেরবাগ পর্যন্ত বিদ্যুৎ লাইন প্রতিস্থাপনের কাজে প্রতি ৮০০ মিটার খুঁড়ে কাজ করার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। এছাড়া পীরেরবাগ থেকে বউবাজার পর্যন্ত ড্রেন সংস্কার ও রাস্তার নির্মাণকাজ একসাথে চলায় যানজটসহ নানা ভোগান্তিতে পড়েছে নগরবাসী। রাস্তাজুড়ে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখায় হাঁটতেও কষ্ট হচ্ছে এলাকাবাসীর। কিছু কিছু সংস্কার কাজ ৬ মাসে শেষ করার কথা থাকলেও পেরিয়ে গেছে ১১ মাস। একই অবস্থা ঝিগাতলা থেকে মোহাম্মদপুরের প্রধান সড়কগুলোতেও। বিদ্যুৎ লাইন, ড্রেনেজ ও রাস্তা সংস্কারের কাজ একসাথে চলায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয়রা। সংস্কার কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এলাকাবাসী। নগরীর উত্তরখান ও দক্ষিণখানে রাস্তার কাজ চলছে। খোঁড়াখুঁড়ির কারণে উত্তরখান ও দক্ষিণখানের কয়েক লাখ মানুষ যাতাযাতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।