
বিজয় স্মরণীর কলমিলতা বাজারের ক্ষতিপূরণ এবং ভাষানটেক বস্তিপুনর্বাসন প্রকল্পের অনিয়ম বন্ধসহ পুনর্বাসনের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও বস্তিবাসীরা। এ মানববন্ধনে শত শত মানুষ অংশ নেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর থেকেই সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। সর্বোচ্চ আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও বিজয় স্মরণীর কলমিলতা বাজারের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়নি। একইভাবে ভাষানটেক বস্তিপুনর্বাসন প্রকল্প দুর্নীতি ও জবরদখলের কারণে প্রকৃত বস্তিবাসীরা আজও পুনর্বাসন থেকে বঞ্চিত।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ৫৩ বছর ধরে শহীদ পরিবার ও বস্তিবাসীরা অবিচারের শিকার হচ্ছেন। আদালতের একাধিক রায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষে গেলেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর তা বাস্তবায়ন করেনি। ক্ষতিপূরণের দাবিকৃত অঙ্ক বর্তমানে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। বস্তিবাসির সমাবেশে এডভোকেট নূরতাজ আরা ঐশী বলেন, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বছরের পর বছর আমাদের অধিকার হরণ করা হচ্ছে। চুপ থাকলে অধিকার আসবে না, জেগে উঠলে বদলাবে সময়। সরকার চাইলে বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনে একটি টাকাও ব্যয় করতে হবে না শুধু প্রয়োজন সৎ ইচ্ছাশক্তি।
তিনি আরও বলেন, আমার দাদা শহীদ আব্দুল কাদেরের পরিবার থেকে শুরু করে হাজারো মুক্তিযোদ্ধা পরিবার আজ অবহেলা, বঞ্চনা ও ক্ষতিপূরণ না পেয়ে হতাশায় দিন কাটাচ্ছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলবে। মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, সিটি করপোরেশনের এক শ্রেণির কর্মকর্তা ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানে নানা সময় ঘুষ দাবি করেছেন। ঘুষ ও দুর্নীতির কাছে মাথা নত না করার কারণেই দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিপূরণ ঝুলে আছে। ভাষানটেক বস্তিপুনর্বাসন প্রকল্প প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রকল্পটি বিভিন্ন সময় প্রভাবশালী মহলের দখল ও লুটপাটের শিকার হয়েছে। অথচ সরকারের সদিচ্ছা থাকলে প্রকৃত বস্তিবাসীদের অর্থায়নেই পুনর্বাসন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব।
মানববন্ধনে জানানো হয়, ৯ আগস্ট থেকে জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে লাগাতার কর্মসূচি চলছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। প্রতিদিন সকাল ১১টায় দিকনির্দেশনামূলক সভা এবং দুপুর ১২টা ও বিকাল ৫টায় প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মানববন্ধনে আয়োজকরা ছাত্র সমাজ, শ্রমজীবী মানুষ, নাগরিক সমাজ ও দেশপ্রেমিক জনগণকে ন্যায়বিচারের এই আন্দোলনে শরিক হওয়ার আহ্বান জানান। বক্তারা বলেন, অধিকার বঞ্চিত মানুষকে তার প্রাপ্য না দিলে সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে না। আসুন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হই।
বক্তারা অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর থেকেই সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। সর্বোচ্চ আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও বিজয় স্মরণীর কলমিলতা বাজারের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়নি। একইভাবে ভাষানটেক বস্তিপুনর্বাসন প্রকল্প দুর্নীতি ও জবরদখলের কারণে প্রকৃত বস্তিবাসীরা আজও পুনর্বাসন থেকে বঞ্চিত।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ৫৩ বছর ধরে শহীদ পরিবার ও বস্তিবাসীরা অবিচারের শিকার হচ্ছেন। আদালতের একাধিক রায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষে গেলেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর তা বাস্তবায়ন করেনি। ক্ষতিপূরণের দাবিকৃত অঙ্ক বর্তমানে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। বস্তিবাসির সমাবেশে এডভোকেট নূরতাজ আরা ঐশী বলেন, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বছরের পর বছর আমাদের অধিকার হরণ করা হচ্ছে। চুপ থাকলে অধিকার আসবে না, জেগে উঠলে বদলাবে সময়। সরকার চাইলে বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনে একটি টাকাও ব্যয় করতে হবে না শুধু প্রয়োজন সৎ ইচ্ছাশক্তি।
তিনি আরও বলেন, আমার দাদা শহীদ আব্দুল কাদেরের পরিবার থেকে শুরু করে হাজারো মুক্তিযোদ্ধা পরিবার আজ অবহেলা, বঞ্চনা ও ক্ষতিপূরণ না পেয়ে হতাশায় দিন কাটাচ্ছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলবে। মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, সিটি করপোরেশনের এক শ্রেণির কর্মকর্তা ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানে নানা সময় ঘুষ দাবি করেছেন। ঘুষ ও দুর্নীতির কাছে মাথা নত না করার কারণেই দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিপূরণ ঝুলে আছে। ভাষানটেক বস্তিপুনর্বাসন প্রকল্প প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রকল্পটি বিভিন্ন সময় প্রভাবশালী মহলের দখল ও লুটপাটের শিকার হয়েছে। অথচ সরকারের সদিচ্ছা থাকলে প্রকৃত বস্তিবাসীদের অর্থায়নেই পুনর্বাসন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব।
মানববন্ধনে জানানো হয়, ৯ আগস্ট থেকে জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে লাগাতার কর্মসূচি চলছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। প্রতিদিন সকাল ১১টায় দিকনির্দেশনামূলক সভা এবং দুপুর ১২টা ও বিকাল ৫টায় প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মানববন্ধনে আয়োজকরা ছাত্র সমাজ, শ্রমজীবী মানুষ, নাগরিক সমাজ ও দেশপ্রেমিক জনগণকে ন্যায়বিচারের এই আন্দোলনে শরিক হওয়ার আহ্বান জানান। বক্তারা বলেন, অধিকার বঞ্চিত মানুষকে তার প্রাপ্য না দিলে সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে না। আসুন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হই।