মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিসিকে আইনি নোটিশ

আপলোড সময় : ২৯-০৮-২০২৫ ০৭:০২:২১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৯-০৮-২০২৫ ০৭:০২:২১ অপরাহ্ন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসককে (ডিসি) আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান তুষার নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মির্জারচর গ্রামের বাসিন্দা মোশারফের পক্ষে ডাক ও ই-মেইলে জনস্বার্থে এই নোটিশ পাঠান। জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে নাসিরাবাদ বালু মহল ইজারা নিয়ে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মির্জারচর গ্রামে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। নোটিশে বলা হয়েছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে মেঘনা নদী এখন অবৈধ অস্ত্র প্রশিক্ষণ এবং বালি সন্ত্রাসীদের আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। নদীর তীরবর্তী অসংখ্য গ্রাম শত শত খননকারীর গর্জনে দিনরাত কাঁপছে। তবুও প্রশাসন নীরব দর্শক। স্থানীয়দের মতে, ‘স্বর্ণ প্রাসাদ’ নামে পরিচিত এই বালি প্রাসাদটি সশস্ত্র প্রহরীদের দ্বারা বেষ্টিত। যে কেউ প্রতিবাদ করলে মৃত্যুর হুমকির সম্মুখীন হয়। এর ফলে নদীতীর ভাঙন, জলজ জীববৈচিত্র্য ধ্বংস এবং প্রাকৃতিক নদীর প্রবাহ ব্যাহত হওয়াসহ গুরুতর পরিবেশগত অবক্ষয় হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান ভাঙন এবং বন্যার ঝুঁকির কারণে স্থানীয় সম্প্রদায়, কৃষিজমি, বসতবাড়ি এবং অবকাঠামোর জন্য হুমকি তৈরি হচ্ছে। বালুমহাল ও মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ সহ আইনগত বিধান লঙ্ঘন এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জারি করা অননুমোদিত বালি উত্তোলন নিষিদ্ধের নির্দেশাবলী অমান্য করা হচ্ছে। নোটিশে মেঘনা নদী থেকে অবৈধ বালি উত্তোলন বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া বেআইনি কার্যকলাপে জড়িত ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সত্তাকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। নোটিশে পুনরাবৃত্ততা রোধে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং নজরদারিসহ বিদ্যমান পরিবেশগত ও নদী সুরক্ষা আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এছাড়া মেঘনা নদীর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিবেশগত পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবস্থা নতে বলা হয়। নোটিশ পাওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি এ সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। না হলে হাইকোর্টে রিট দায়েরসহ অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে জানানো হয়। পরে ব্যারিস্টার সোলায়মান তুষার বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫; বাংলাদেশ পরিবেশ আদালত আইন, ২০১০ এবং অন্যান্য প্রযোজ্য পরিবেশ সুরক্ষা আইনের বিধান অনুসারে এ নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।
 

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন।

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ মোঃ আতিকুল হাসান।

নির্বাহী সম্পাদক আশীষ কুমার সেন।

ফোন : ৪৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স; ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪

অফিস :

প্রকাশক কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত।

সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত।

ই-মেইল : [email protected], ওয়েবসাইট : www.dainikjanata.net