ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

প্রবাসী আয় বৃদ্ধিকল্পে কর্মসংস্থান ও ভোগান্তি বন্ধ করুন

  • আপলোড সময় : ২০-০৫-২০২৪ ১০:২২:৩৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৫-২০২৪ ১০:২২:৩৬ অপরাহ্ন
প্রবাসী  আয় বৃদ্ধিকল্পে কর্মসংস্থান ও ভোগান্তি বন্ধ করুন

মাহমুদুল হক আনসারী
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দুরবস্থায় বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য প্রবাসী আয়  অন্যতম একটি প্রধান উৎসপ্রবাসী আয় জাতীয় অর্থনীতে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসাবে কাজ করছেপ্রবাসীদের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ মজবুত হয়েছে অর্থনীতিদেশের জিডিপিতে ৬ থেকে ৭ শতাংশ অবদান রাখা এই রেমিট্যান্স পরিণত হয়েছে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য অংশীদারকরোনাকালীন অর্থনীতিতে ভূমিকা পালন করেছিল এ রেমিট্যান্সমাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের এ সংকটময় মুহূর্তে সরকারের যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ ও তার বাস্তবায়ন অর্থনীতির চাকাকে সচল রেখেছে রেমিটেন্সবৈধ উপায়ে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বৃদ্ধিতে প্রবাসীদের সিআইপি সম্মাননা, প্রবাসী আয়ের বিপরীতে প্রণোদনা, রেমিট্যান্স আহরণ-বিতরণ প্রক্রিয়া দ্রুতকরণ, দেশে আবাসন খাতসহ বিশেষ বিনিয়োগ স্কিম চালু এবং প্রশিক্ষিত লোকতৈরী পাঠানোর মতো নানা ধরনের কর্মতৎপরতা চলমানদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যস্থতায় ব্যাংকের নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ব্যাংকার্স এক্সচেঞ্জ ডিলারস (বাফেদা) ডলার এবং সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের প্রণোদনাসহ রেমিট্যান্স কেনার সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ করে দেওয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয় প্রবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছেগণমাধ্যমে প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য  এ বছরের জানুয়ারিতে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার, যা সাত মাসের মধ্যে সর্বোচ্চগত বছরের একই সময়ের তুলনায় তা বেড়েছে ৮ শতাংশএছাড়াও  অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়ে প্রবাসী আয় ৩ শতাংশ বেড়ে ১২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছেবিদায়ি ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা এযাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২ হাজার ১৬১ কোটি মার্কিন ডলারকরোনাকালীন ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ডলারবাংলাদেশ ব্যাংক এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্যানুসারে, এখন পর্যন্ত বছরভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে ২০২১ সালে, যার পরিমাণ ২ হাজার ২০৭ কোটি ডলার২০২২ সালে তা কমে হয় ২ হাজার ১২৯ কোটি ডলার এবং ২০২৩ সালে সামান্য বেড়ে তা দাঁড়ায় ২ হাজার ১৯১ কোটি ডলারেসংবাদপত্রে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংক ও নোমাডের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২২ সালে দেশে প্রবাসী আয়ে নেতিবাচক ধারা থাকলেও ২০২৩ সালে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের পূর্বাভাস দিয়েছিল বিশ্বব্যাংক২০২৩ সাল শেষে আনুষ্ঠানিক তথা বৈধ চ্যানেলে বাংলাদেশের মোট প্রবাসী আয়ের পরিমাণ হতে পারে ২৩ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলারমাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্রিফ৩৯-এ বলা হয়েছে, নিম্নমধো
আয়ের দেশগুলোর মধ্যে প্রবাসী আয়ে বাংলাদেশ ২০২৩ সালের শেষে সপ্তম স্থানে থাকবেতালিকায় যথারীতি সবার উপরে থাকবে ভারতওই বছর দেশটির প্রবাসী আয় হতে পারে ১২ বিলিয়ন বা ১২ হাজার ৫০০ কোটি ডলারসংস্থা দুটির যৌথ প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়েছে া বাংলাদেশের মতো শ্রীলঙ্কারও প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হবেআন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্তাবলি পালনের কারণে দেশীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে এবং হবেযুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের শ্রমবাজারের চাঙাভাব আসবেউচ্চ আয়ের দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি কমার কারণে বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৩ সাল শেষে বিশ্বব্যাপী মোট প্রবাসী আয় বেড়ে দাঁড়াবে ৭৬০ বিলিয়ন বা ৮৬ হাজার কোটি ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ৩ শতাংশ বেশিতবে দেশভিত্তিক প্রবাসী আয়ে মোট ৬ হাজার ৭০০ কোটি ডলার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকবে মেক্সিকো৫ ও ৪ হাজার কোটি ডলারের প্রবাসী আয় নিয়ে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকবে যথাক্রমে চীন ও ফিলিপাইনমিসর ও পাকিস্তান উভয় দেশই ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলার নিয়ে পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে থাকবেনাইজেরিয়া, গুয়াতেমালা ও উজবেকিস্তান যথাক্রমে ২ হাজার ১০০ কোটি, ২০ হাজার কোটি এবং ১ হাজার ৬০০ কোটি প্রবাসী আয় করে অষ্টম, নবম ও দশম স্থানে অবস্থান করবেএছাড়াও বিশ্বের নিন্ম মধ্যে আয়ের দেশগুলোয় প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ৬৬৯ বিলিয়ন বা ৬৬ হাজার ৯০০ কোটি ডলারযা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেশিমূলত দক্ষিণ এশিয়া ও লাতিন আমেরিকা অঞ্চলে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হবেসৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে কোটা বৃদ্ধি এবং মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় খুলে দেওয়াসহ নানা কারণে ২০২৩ সালে বাংলাদেশ বিদেশে রেকর্ডসংখ্যক জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি করছে যা আগের বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশিবিএমটির তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বিশ্বের ১৩৭টি দেশে বাংলাদেশের ১৩ লাখ কর্মীর কর্মসংস্থান হয়েছে২০২২ সালে এ সংখ্যা ছিল ১১ লাখ ৩৫ হাজারকিন্তু এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়েনি রেমিট্যান্স প্রবাহসবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় আসে এমন ১০টি উৎস দেশের মধ্যে সাতটি থেকেই আয় কমেছেএর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকেবাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের উৎস যুক্তরাষ্ট্র থেকে আয় আসা প্রায় অর্ধেকে নেমেছেবাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশে প্রবাসী আয়ের শীর্ষ ১০ উৎস দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ওমান, মালয়শিয়া, কুয়েত, ইতালি, কাতার ও বাহরাইন থেকে প্রবাসী আয় এসেছে ৮৬ শতাংশএর মধ্যে ইউএই, যুক্তরাজ্য, ওমান থেকে প্রবাসী আয় বেড়েছে এবং বাকি সাতটি দেশ থেকে কমেছেপ্রসঙ্গত, বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ গণমাধ্যমে বলেছেন, ‘আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক খাতে ডলারের দরের মধ্যে পার্থক্য বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকের বদলে হুন্ডি বা অন্য উপায় বেছে নিচ্ছেন অনেক প্রবাসীফলে দেশে প্রবাসী পরিবারে টাকা এলেও ডলার সীমান্ত অতিক্রম করছে না
তাই বিদেশে বেশি কর্মী যাওয়ার পরও প্রবাসী আয় তেমন বাড়ছে নাএই জায়গায়  হুন্ডির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে আরো সুফল বাড়বেঅভিবাসন খাতের বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য হলো, দেশের মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের দাম নিয়ে নানা পরীক্ষা, বেশি দামে প্রবাসী আয় কেনা, প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়াতে অতিরিক্ত প্রণোদনা দিয়েও বিদায়ি বছরে প্রবাসী আয় তেমন বাড়েনিএর পেছনে রয়েছে অর্থ পাচার ও হুন্ডি বাণিজ্যের সংশ্লিষ্টতাবিদেশে নতুন কর্মী যাওয়ার পর দেশে টাকা পাঠাতে সাধারণত ছয় মাস থেকে এক বছর সময় লাগে; সেই হিসাবে ২০২৩ সালে প্রবাসী আয়ে ভালো প্রবৃদ্ধি আসার কথা ছিল; কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি আশানুরূপ হয়নিপ্রবাসীদের অর্থ ঠিকই দেশে এসেছে, তবে তা ব্যাংক হয়ে বৈধ পথে আসেনিতারা আরও বলেন, ‘প্রবাসী আয় বাড়াতে অর্থ পাচার বন্ধে জোর তৎপরতা দৃশ্যমান নয়ফলে অর্থ পাচার অব্যাহত আছেঅর্থ পাচারে সহায়তা করতে বিদেশে থাকা হুন্ডি-বাণিজ্য চক্র প্রবাসীদের কাছ থেকে ডলার কিনে ফেলছেএ চক্র দেশীয় গোষ্ঠীর মাধ্যমে প্রবাসীর পরিবারে টাকা পৌঁছে দিচ্ছেএ ছাড়া বাংলাদেশি মালিকানাধীন মানি এক্সচেঞ্জ ও রেমিট্যান্স কোম্পানিগুলো অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িয়ে আছেসাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, হুন্ডির মাধ্যমে অধিক মাত্রায় অর্থ পাঠানোর কারণে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ কমে যাচ্ছেহুন্ডির প্রতি আগ্রহী হওয়ার সঙ্গে অভিবাসন ব্যয়ের নিবিড় সম্পর্ক আছেঋণ নিয়ে উচ্চ খরচে বিদেশে যান প্রবাসীরাতারা দেশে দ্রুত অর্থ পাঠিয়ে এ ঋণ পরিশোধ করতে চানতাই যে মাধ্যম বেশি মুদ্রা বিনিময় হার দেয়, তারা সেই মাধ্যম ব্যবহার করেনগবেষণায় আরও প্রকাশ পেয়েছে, হুন্ডি ব্যবসায়ীদের নেটওয়ার্ক দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও বিস্তৃত হয়েছেতারা অভিবাসীদের কম সময় ও খরচে দেশে অর্থ পাঠানোর নিশ্চয়তা দেয়কোনো প্রবাসী কোনো মাসে অর্থ পাঠাতে না পারলে হুন্ডি ব্যবসায়ীরা নিজ উদ্যোগে ধার দিয়ে দেশে অর্থ পাঠানোর ব্যবস্থা করে দেয়প্রবাসীরা পরের মাসে তা শোধ করতে পারেন
 অথচ দ্রুত বর্ধমান ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো প্রবাসীদের দোরগোড়ায় এখনো সেই সেবায় পৌঁছাতে পারেনিগবেষণাসংশ্লিষ্ট গবেষকদের দাবি, হুন্ডির চেয়ে ব্যাংকে অর্থ পাঠিয়ে যদি একই রকম সুবিধা পাওয়া যায়, তাহলে প্রবাসীরা উদ্বুদ্ধ হবেন এবং তা করা গেলে প্রবাসী আয় ২ হাজার ২০০ কোটি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়াবেআস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে যদি বলি তাহলে বলতে হয় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্সের গুরুত্ব বহু বেশিবিদেশে কর্মরত শ্রমজীবী মানুষের কষ্টার্জিত আয় দেশে বৈধ উপায়ে প্রেরণে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ওয়েজ আর্নাস রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে সরকার ১ জুলাই ২০১৯ থেকে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়
এরই আলোকে ২০১৯ ও ২০২০ সালে করোনা অতিমারি ক্রান্তিকালে বিশ্বব্যাপী ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটনশিল্পে ধস এবং রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা প্রতিকূলতায় সংকটে পড়া মধ্যপ্রাচ্যসহ প্রবাসীদের নিয়োগদাতা দেশসমূহে কর্মীছাঁটাই ও বেতন বন্ধসহ বহুবিধ সমস্যার কারণে প্রবাসে কর্মসংস্থান হ্রাস পেলেও বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পায়পরবর্তীকালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে সরকার ১ জানুয়ারি ২০২২ থেকে রেমিট্যান্সের বিপরীতে নগদ প্রণোদনার হার ২ শতাংশ থেকে ২ দশমিক ৫০ শতাংশে নির্ধারণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেসরকার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ কর্মী তৈরি করে বিদেশে পাঠিয়ে প্রবাসী আয় বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেরেমিটেন্স যুদ্ধারা নানা ভাবে ভোগান্তির শিকার।  দেশ ও পরিবার পরিজনের প্রতি তাদের ভালো ভাসার ঘাটতি  নেইদেশের রাষ্ট্র ব্যবস্হায় তারা ভোগান্তির শিকাররেমিটেন্স সরবরাহ বৃদ্ধি করতে হলে হুন্ডি র রাস্তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
 আইন শৃংখলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়াতে হবেব্যংকিং ঝামেলা কমাতে হবে।  বিদেশগামি শ্রমিকদের যাওয়ার সময় আর্থিক যাহাযোর চিন্তার বাস্তবায়ন করতে হবে।  অর্থ  পাচার ও ডলার পাচার নজরদারির মধ্যে  রাখতে হবেদেশের নানামুখী সংকট উত্তরণে অর্থব্যবস্থার সমৃদ্ধিকরণ অতিব জরুরি
সার্বিক সফলতা উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে  রেমিট্যান্স বৃদ্ধির বিকল্প নেইতাই কর্মসংস্থান বাজার বাড়াতে হবেকর্মরত শ্রমিকদের কর্মস্থলের সমস্যা নিরসনে তাৎখনিক কাজ করতে হবেবৈদেশিক মুদ্রা  অর্জনে দক্ষ জনশক্তির প্রস্তুত এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুণ

লেখক : সংগঠক, গবেষক, কলামিস্ট

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য