ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা
# অটোরিকশা চলাচলে নীতিমালা করতে হবে, রাজধানীতে চলবে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা # জাহাজ চলাচল ব্যবস্থা সহজ হচ্ছে # ইউরোপ-আমেরিকাসহ পৃথিবীর ১২৬ দেশে জটিলতা কাটছে # বঙ্গবন্ধুর নামে দেয়া হবে আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার

কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • আপলোড সময় : ২০-০৫-২০২৪ ০৯:৩৯:২৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-০৫-২০২৪ ০১:৩৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়
নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতার বিষয়টি উঠে এসেছে মন্ত্রিপরিষদ সভায়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে কঠোরভাবে বাজার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিয়েছেন। কেউ যেন অন্যায্যভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন। পরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন।  
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বাজার মনিটরিংয়ে জোরালোভাবে নজর দিতে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। কিছু পণ্যে বাজারে জোগানের সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গেছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং শুরু করার জন্য বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, ডলারের দাম বাড়িয়ে বাজার মনিটরিং বাড়ানো কতটা যুক্তিসঙ্গত? জবাবে সচিব বলেন, ‘এই প্রশ্নটা বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে করুন। আমি আপনাদের কমিউনিকেট করছি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশটা। প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশ দিয়েছেন, সে বিষয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে একটু কাজ করতে দেন। তারপর ওনাকে এই প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করেন। তাহলে হয়তো কিছু জানতে পারবেন।
জাহাজ চলাচল ব্যবস্থা সহজ হচ্ছে: দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট ‘বিমসটেক’ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে জাহাজ চলাচল ব্যবস্থা সহজ হচ্ছে। এ লক্ষ্যে নতুন একটি চুক্তির খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিমসটেক পোস্টাল শিপিং অ্যাগ্রিমেন্ট নামে একটি খসড়া আগে অনুমোদন করা হয়েছিল। পরে দেখা গেছে যে শ্রীলংকার জাহাজ চলাচলের অংশটুকু কোস্টালে নয়, এটি গভীর সমুদ্রবন্দরের অংশ। সে কারণে পোস্টাল শিপিং অ্যাগ্রিমেন্ট শ্রীলংকাকে অন্তর্ভুক্ত করা যাচ্ছিল না। এজন্য এটার নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন’। এই নামে এখন বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলো চুক্তি করবে। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে মালামাল পরিবহনের জাহাজ চলাচলের জন্য দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করতে হয়। এখন জাহাজ চলাচলের জন্য আর আলাদা চুক্তি করতে হবে না।  বিমসটেকের এই চুক্তির ফলে দ্বিপাক্ষিক আর চুক্তি করতে হবে না। বিমসটেকের সাতটি সদস্য রাষ্ট্র সবাই জাহাজ চলাচল করতে পারবে। দ্বিপাক্ষিক চুক্তি যখন হয় জাহাজের আকার ধরা হয় ২০ হাজার মেট্রিক টন পর্যন্ত, যেটি আগের পোস্টাল শিপিং অ্যাগ্রিমেন্ট ছিল। এখন মেরিটাইম চুক্তিতে ২০ হাজারের বেশি যেসব জাহাজ আছে তারাও এর মধ্যে থাকবে।
ইউরোপ-আমেরিকাসহ পৃথিবীর ১২৬ দেশে জটিলতা কাটছে: ইউরোপ-আমেরিকাসহ পৃথিবীর ১২৬টি দেশে যেতে সনদ সত্যায়নের জটিলতা কাটাতে একটি কনভেনশনের আওতায় যাওয়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন জানান, অ্যাপোস্টাইল কনভেনশন-১৯৬১ এ বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার বিষয় মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। এই কনভেনশনের সদস্য ১২৬টি দেশ। তিনি বলেন, আমাদের ছাত্ররা বা কোনো ব্যক্তি যখন বিদেশে যান তখন অনেক ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন করতে হয়। শিক্ষাসংক্রান্ত সনদ হলে প্রথমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করে পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করতে হয়। এরপর যে দেশে যাবে সেই দেশের দূতাবাস থেকে সত্যায়িত করতে হয়, এরপর তা ওই দেশে কার্যকর হয়। তিনি বলেন, যেসব দেশের দূতাবাস বাংলাদেশে নেই, দিল্লিতে গিয়ে ওইসব দেশের দূতাবাসে সনদ জমা দিয়ে সত্যায়িত করতে হয়। এতে বিরাট জটিলতার মধ্যে পড়তে হয়। সংশ্লিষ্ট দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই কনভেনশনের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নির্দিষ্ট ফরম্যাট অনুযায়ী সত্যায়িত করে দিলে এরপর আর ওই দেশের দূতাবাসে গিয়ে সত্যায়িত করতে হয় না। তিনি আরও বলেন, এই কনভেনশনে বাংলাদেশ এতদিন সদস্য না থাকায় আমাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। মন্ত্রিসভা খুবই ইতিবাচকভাবে এটি গ্রহণ করেছে। এতে স্বাক্ষর করলে ইউরোপ-আমেরিকায় যাওয়ার ক্ষেত্রে এখন যে ভোগান্তি হয় সেটি আর হবে না এবং ব্যয় সাশ্রয় হবে।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলবে: আন্দোলনরত চালকদের জীবিকার কথা চিন্তা করে রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এর একটি নীতিমালা করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন সরকারপ্রধান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, রাজধানীসহ বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী জানতেন না। বিকল্প ব্যবস্থা না করে তাদের জীবিকায় হাত দেয়া উচিত হয়নি বলেও মনে করেন তিনি। মন্ত্রিপরিষদ সভায় অটোরিকশা চালকদের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি বিধিমালার মাধ্যমে অটোরিকশা চালকদের নিয়মের মধ্যে আনা হবে। নির্দিষ্ট রাস্তায় চলতে হবে। তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। কী গতিতে চলবে তা নির্দিষ্ট করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা উল্লেখ করে সচিব আরও বলেন, অটোরিকশা চলাচলে একটি নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা (রেগুলেটরি বডি) গঠন করে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সেই সঙ্গে চালকদের প্রশিক্ষণ ও অটোরিকশার ডিজাইন করে দিতেও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।
বঙ্গবন্ধুর নামে দেয়া হবে আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে একটি আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার প্রবর্তন করতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক শান্তি পদক নীতিমালা-২০২৪’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৭৩ সালের ২৩ মে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করা হয়েছিল। এটির ৫০ বছর পূর্তি আমরা গত বছর উদ্?যাপন করেছি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে, বঙ্গবন্ধুর নামে একটি শান্তি পুরস্কার তিনি প্রবর্তন করতে চান। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আজ একটি নীতিমালা আমরা উপস্থাপন করেছি। মন্ত্রিসভা সেটি আজ অনুমোদন করেছে। এই নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশ ও বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত বা বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকে কয়েকটি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পুরস্কার দেয়া যাবে, যোগ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা, যুদ্ধ নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ ও অবদান রাখা, দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখা, টেকসই সামাজিক পরিবেশগত অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন-পুরস্কার দেয়ার ক্ষেত্রে এ ক্ষেত্রগুলো বিবেচনায় নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, ৫০ গ্রাম ওজনের ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের একটি পদক এবং ১ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ মূল্যের পুরস্কার দেয়া হবে। একইসঙ্গে একটি সনদপত্র দেয়া হবে। পুরস্কারটি প্রতি দুই বছরে একবার দেয়া হবে। পুরস্কার দেয়ার ক্ষেত্রে পৃথিবীর যে কোনো দেশ থেকে প্রস্তাব নেয়া যাবে। কারা কারা প্রস্তাব করতে পারবেন নীতিমালায় সেটারও একটা বর্ণনা দেয়া আছে। একটি দেশের সরকার, রাষ্ট্রপ্রধান বা সেই দেশের সংসদ সদস্যরা প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন। নোবেল বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি কারো নাম প্রস্তাব করতে পারবেন বলে জানান মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি যত দূতাবাস রয়েছে সেইসব দূতাবাসের প্রধানরা বা আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরা পুরস্কারের জন্য নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। বিদেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশন বা দূতাবাসের প্রধানরাও প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন। জাতিসংঘের কোনো সংস্থা প্রধানও নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। তবে কোনো ব্যক্তি নিজে পুরস্কারের জন্য দাবি জানাতে পারবেন না। নীতিমালা অনুযায়ী একটি জুরি বোর্ড গঠন করা হবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত। নিরপেক্ষ ও খ্যাতিসম্পন্ন লোকদের দ্বারাই জুরি বোর্ড গঠিত হবে। ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হবে। ২৩ মে বা কাছাকাছি সময়ে এই পুরস্কার দেয়া হবে। অর্থ বিভাগ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ দেবে। আগামী বছরই (২০২৫) প্রথমবারের মতো পুরস্কার দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। মন্ত্রিসভা থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, নীতিমালা দিয়ে কাজটি যাতে শুরু করা হয় এবং এটিকে যাতে পরবর্তী সময়ে আইনে রূপান্তর করা হয়। আইনের মধ্যে একটি তহবিল তৈরি করতে বলা হয়েছে যে তহবিলে সরকার বা বাইরের লোক যে কেউ সেখানে অনুদান দিতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে আমরা সেই তহবিল থেকেই ব্যয়ভারটা নির্বাহ করতে পারব। সে পর্যন্ত সরকারই এই ব্যয়ভার বহন করবে।

 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স