ঢাকা , রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫ , ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
একে একে চলে গেলেন সাতজন হাসপাতাল-ফার্মাসিউটিক্যাল সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করবে বিএনপি-আমির খসরু খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে-পরিবেশ উপদেষ্টা খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে-পরিবেশ উপদেষ্টা বাণিজ্য বাড়াবে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ নুরের ওপর হামলা গভীর ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের অংশ- অ্যাটর্নি জেনারেল একটি গোষ্ঠী নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে নুরের ওপর হামলায় জড়িত কেউ রেহাই পাবে না সাত বছর পর চীন সফরে গেলেন নরেন্দ্র মোদি অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি বদ্ধপরিকর- তারেক রহমান অদৃশ্য অরাজকতায় ষড়যন্ত্রের আভাস পোরশায় সবজি বাজারে ঊর্ধ্বগতি, কিনতে ক্রেতাদের পকেট খালি ধানের প্রকৃত নামেই চাল বাজারজাত করতে হবে গোমস্তাপুরে হাঁস পালন করে ভাগ্য পরিবর্তন, তরুণদের অনুপ্রেরণা শরিফুল ইসলাম গোমস্তাপুরে বারোমাসি আম চাষে সাফল্যের গল্প নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে দু-একটি দল ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে-সালাহউদ্দিন আহমদ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখছে ইসি রোডম্যাপ ঘোষণা সুষ্ঠু নির্বাচন ভন্ডুলের নীল নকশা-তাহের আদালতের প্রতি ‘আস্থা’ নেই বলে জামিন চাননি লতিফ সিদ্দিকী

যুক্তরাষ্ট্রে বছরে ১ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক দেয় বাংলাদেশ-সিপিডি

  • আপলোড সময় : ১৮-০৪-২০২৫ ০৭:৩৬:২৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৪-২০২৫ ০৭:৩৬:২৯ অপরাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রে বছরে ১ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক দেয় বাংলাদেশ-সিপিডি
বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্রতি বছর এক বিলিয়ন ডলারের বেশি শুল্ক আদায় করে থাকে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যে বাংলাদেশ সরকারের শুল্ক আদায় মাত্র ১৮০ মিলিয়ন ডলার। এমন তথ্য উঠে এসেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) এক বিশ্লেষণে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত ‘ট্রাম্প রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ অ্যান্ড বাংলাদেশ: ইমপ্লিকেশনস অ্যান্ড রেসপন্স’ শীর্ষক সংলাপে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য থেকে বছরে এক বিলিয়নের বেশি শুল্ক আদায় করে থাকে। অথচ বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে যে শুল্ক আরোপ করে, তার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেক কম। সিপিডির উপস্থাপনায় জানানো হয়, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর গড়ে ৬ দশমিক ২ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলেও বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুবিধা বিবেচনায় সেটি কার্যত নেমে আসে ২ দশমিক ২ শতাংশে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যে গড়ে ১৫ দশমিক ১ শতাংশ শুল্ক নেয়। এ প্রেক্ষাপটে সিপিডি বাংলাদেশের জন্য কিছু কৌশলগত পরামর্শ তুলে ধরে। এর মধ্যে রয়েছে— রপ্তানি প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নীতির প্রভাব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ, বিশেষ করে ভিয়েতনামসহ অন্যান্য প্রতিযোগী দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান মূল্যায়ন। সংলাপে আরও উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেশন ফোরাম অ্যাগ্রিমেন্টের (টিকফা) আওতায় কৌশলগত আলোচনা জোরদার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। সিপিডি মনে করে, যুক্তরাষ্ট্রকে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্ক ছাড় দেওয়া হলে সেটি মোস্ট ফেভারড নেশন নীতির আওতায় অন্যান্য বাণিজ্য অংশীদারদের একই সুবিধা দিতে বাধ্য করবে। তাই এ বিষয়ে সতর্কতা এবং কৌশলগত মূল্যায়ন জরুরি। এছাড়া মার্কিন তুলা আমদানির জন্য বিশেষ ওয়্যারহাউজ সুবিধা চালুর বিষয়টিও বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছে সিপিডি। তাদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা পোশাকে ব্যবহৃত তুলার ভিত্তিতে শুল্ক ছাড় বা মওকুফের বিষয়টি আলোচনায় আনা সহজ হবে।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স