ঢাকা , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বিচার, সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ চাই- রাশেদ প্রধান প্রকৌশলীদের অধিকার রক্ষায় আইইবির বিবৃতি ৩ মাস পরও খুলছে না রহস্যের জট হাওর মহাপরিকল্পনার খসড়া প্রতিবেদন প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ আজ মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে বলা কি সন্ত্রাসী কাজ, প্রশ্ন সাংবাদিক পান্নার মব সংস্কৃতি দমনে সরকার ব্যর্থ হলে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে- ড. কামাল হোসেন নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে- আমির খসরু বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহার না হলে আন্দোলনে যাবে পল্লীবিদ্যুৎ কর্মরতরা সাভারে অপহৃত ১০ মাসের শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার অপহরণকারী সাপের কামড়ে মৃত্যু বাড়ছে, প্রতিষেধক তৈরির উদ্যোগ গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগ নিশ্চিত হচ্ছে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নারায়ণগঞ্জে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল জয়ী মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে জটিলতা কাটছে না গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড যশোরে পৃথক অভিযানে ৩৬টি সোনার বারসহ গ্রেফতার ৩ বিএসএফ মহাপরিচালকে ক্ষমা চাইতে হবে: সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ আরও ৪৩২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত ছয় মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ

অর্থ পাচারকারীদের জীবন কঠিন হবে-গভর্নর

  • আপলোড সময় : ১০-০৪-২০২৫ ১২:৩৮:০৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৪-২০২৫ ১২:৩৮:০৫ পূর্বাহ্ন
অর্থ পাচারকারীদের জীবন কঠিন হবে-গভর্নর
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার এবং ভবিষ্যতে অর্থপাচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা অর্থপাচার করেছে, তাদের জীবন কঠিন করে ফেলা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়। এ লক্ষ্যে বিদেশি সংস্থার সঙ্গে একযোগে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল বুধবার মিরপুরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টে (বিআইবিএম) আয়োজিত দুই দিনব্যাপী বার্ষিক ব্যাংকিং সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন গভর্নর। বিআইবিএমের মহাপরিচালক মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী। গভর্নর বলেন, ইসলামি ব্যাংকিং খাতে মৌলিক সংস্কার আনা হবে। বর্তমানে অনেকগুলো ছোট ও সমস্যাগ্রস্ত ইসলামি ব্যাংক রয়েছে। এগুলো একীভূত করে দুটি বড় ইসলামি ব্যাংক গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইসলামি ব্যাংকের জন্য পৃথক আইন ও তদারকি কাঠামো তৈরি করা হবে। আন্তর্জাতিক উত্তম রীতিনীতির আলোকে এই খাতকে পুনর্গঠন করা হবে। তিনি আরও বলেন, যেসব ব্যাংকে অনিয়ম ধরা পড়েছে, সেসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৩টি ব্যাংকে নতুন পর্ষদ গঠন করা হয়েছে এবং আরও একটি ব্যাংক স্বেচ্ছায় পরিবর্তন এনেছে। এছাড়া ব্যাংক কোম্পানি আইনে সংশোধনী এনে স্বাধীন পরিচালক নিয়োগ এবং তাদের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হচ্ছে। ড. মনসুর স্বীকার করেন, ব্যাংক খাতের সমস্যার পেছনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরও দায় রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর রাজনৈতিক ও আর্থিক চাপ রয়েছে। ব্যাংক খাতে দ্বৈত শাসন বন্ধ করতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও শক্তিশালী ও স্বায়ত্তশাসিত করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে আগাম অনিয়ম শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় করা হচ্ছে। রিপোর্টিং সিস্টেম পুরোপুরি অনলাইনে আনা হবে এবং ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ না করে নিবিড় তদারকির মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করা হবে। গভর্নরের ভাষায়, রাজনীতির পালাবদল হলেও ব্যাংক খাতের সংস্কার থেমে থাকা উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন অপরিহার্য।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স