ঢাকা , সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন ড. কুদরত এ খোদা সিরাজগঞ্জে দ্ইু নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫ তফসিল ঘোষণায় সিইসির তড়িঘড়ি সন্দেহের কারণ- গোলাম পরওয়ার রাজউকের এস্টেট ভ‚মি ২-এর এডি আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় বেসরকারি স্বাস্থ্যখাত হবে সেবামুখী ব্যবসা -ডা. তাহের সাগরে ভেসে যাওয়া ২ বন্ধু সৈকতে ফিরলো লাশ হয়ে কক্সবাজারে নদী-পরিবেশ দূষণ করলে হোটেল বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ -নৌপরিবহন উপদেষ্টা নুরের মাথায় রক্তক্ষরণসহ নাকের হাড় ভেঙেছে তিন দফা দাবিতে শহীদ মিনারে শিক্ষকদের মহাসমাবেশ নুরের ওপর হামলার নির্দেশের অডিওটি ভুয়া- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিপি নুরুল হকের সুস্থতা কামনা করছি- মহাসচিব জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা অগ্নিসংযোগ বাতিল হওয়া এনআইডি সংশোধনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত দু’ রাজনৈতিক দলের সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে যা জানালো আইএসপিআর বিভিন্ন এজেন্সি থেকে জঙ্গি লিস্ট দিয়ে বলা হতো ছাড়া যাবে না- আসিফ নজরুল জমে উঠেছে ভোটের মাঠ একে একে চলে গেলেন সাতজন হাসপাতাল-ফার্মাসিউটিক্যাল সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করবে বিএনপি-আমির খসরু খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে-পরিবেশ উপদেষ্টা খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে-পরিবেশ উপদেষ্টা

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল জোড়াতালি দিয়ে সেবা

  • আপলোড সময় : ২৪-০৩-২০২৫ ১২:১৫:০৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৩-২০২৫ ১২:১৫:০৭ অপরাহ্ন
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল জোড়াতালি দিয়ে সেবা
গাইবান্ধা প্রতিনিধি নানা সংকট ও অব্যবস্থাপনায় জোড়াতালি দিয়ে চলছে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও অবকাঠোমোর অভাবে সেবা নিতে এসে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রোগীদের। কর্তৃপক্ষ দাবি করেন, উপরমহলে বারবার জানিয়েও জনবল পাওয়া যাচ্ছে না। হাসপাতাল সূত্র জানায়, জেলার প্রায় ৩৫ লাখ মানুষের চিকিৎসার ভরসাস্থল এই হাসপাতাল। হাসপাতালে প্রতিদিন বহির্বিভাগে গড়ে এক হাজার ৫০০ জন রোগীকে সেবা দেওয়া হয়। এছাড়া প্রতিদিন ২৭০ থেকে ৩০০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। চিকিৎসক সংকটের কারণে তাদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। জেলাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালটি সম্প্রতি ২৫০ শয্যা হিসেবে ঘোষণা করা হলেও চিকিৎসক রয়েছেন মাত্র ১৯ জন। যেখানে ১০০ শয্যার হাসপাতালের জন্য ৪২ জন চিকিৎসক দরকার হয়। ফলে চিকিৎসক সংকটে খুঁড়িয়ে চলছে হাসপাতালটি। এরমধ্যে চক্ষু, চর্ম-যৌন ও সার্জারি বিভাগে কোনো চিকিৎসক নেই। গত সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারের সামনে রোগীর স্বজনরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছেন। চিকিৎসকের চেম্বারের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন রোগীরা। হাসপাতালের বারান্দায় রোগীদের অনেকে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ওয়ার্ডের ভেতরের পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন হয়ে রয়েছে। শিশু ওয়ার্ডে গিয়েও একই অবস্থা দেখা গেছে। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করলেও নিয়মিত চিকিৎসক না আসায় সেবা না পেয়ে দিন শেষে হতাশা হয়ে ফিরতে হয়। সরকারিভাবে ওষুধ সরবরাহের কথা থাকলেও দেওয়া হচ্ছেনা। রোগীদের ব্যবস্থাপত্রে যে পরিমাণ ওষুধ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয় কাউন্টারে কাগজ জমা নিলেও সে পরিমাণ ওষুধ দেওয়া হচ্ছেনা। এ নিয়ে বিভিন্ন সংগঠন আন্দোলন করলেও কোনো লাভ হয়নি। অন্যদিকে দীর্ঘ ৫ বছরের অধিক সময় হাসপাতালটিতে এক্স-রেসহ বিভিন্ন পরীক্ষা বন্ধ থাকায় ভোগান্তি ও হয়রানিতে পোহাচ্ছেন রোগীরা। সদর উপজেলার বল্লমঝড় থেকে সোমা বেগম তিন বছরের সন্তান ফেরদৌসিকে হাসপাতালে শিশু ডাক্তার দেখাতে নিয়ে আসছেন। তিনি বলেন, ‘মোর ছলটাক ডাক্তার গাল মুখ দেখে এখান ফদ্দি লিখে দিল। ভালো-মন্দ কিছু বললো না। এই ক্যাঙকা রোগী দেখা মুই কিছুই বুঝনু না। ওই ডাক্তাররক এর আগে বাহিরোত দেখাছিনু। তখন ভালো করেই দেখছিলো।’ সদর উপজেলার রিফাইতপুর গ্রামের হামিলা বেগম (৫৫) বলেন, ‘হাসপাতালে ওয়াডত কোনো চকি ফাঁকা নাই। তিনদিন ধরে বারান্দাত আছি। সকাল লাগাত একবার ডাকতার আছি দেকি যায়। ভরদিন আর কোনো খবর নাই। এটে বসে থাকি দম বন্ধ হয়ে যায়। দক্ষিণ ধানগড়া গ্রামের ইসাহাক আলী (৪৮) বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার কোনো পরিবেশ নাই। চারদিক থেকে দুর্গন্ধে এখানে টেকা বড় দায়।’ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. আসিফ রহমান বলেন, ১০০ শয্যার জনবল দিয়ে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল চালানোয় রোগীদের দুর্ভোগ হচ্ছে। জনবল ও অবকাঠামো সমস্যার কারণে এমন হচ্ছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুব হোসেন বলেন, সরকার থেকে চাহিদা মতো ওষুধ না পেলে রোগীদের কীভাবে দেব? হাসপাতালের সবকিছু নিয়মিত পরিষ্কার করা হয়ে থাকে। কিন্তু রোগীর লোকজন এগুলো ময়লা ফেলে নোংরা করেন। চিকিৎসকের চাহিদা চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কয়েকবার আবেদন করা হয়েছে। কোনো সাড়া পাইনি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

সর্বশেষ সংবাদ