ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

শিক্ষকদের প্রতি আমরা সহানুভূতিশীল

  • আপলোড সময় : ১৯-০২-২০২৫ ১২:৩৭:১২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৯-০২-২০২৫ ১২:৩৭:১২ অপরাহ্ন
শিক্ষকদের প্রতি আমরা সহানুভূতিশীল
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া মেনে সরকারি শিক্ষক নিয়োগের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল। গতকাল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। আন্দোলনরত শিক্ষকদের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন বলে জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, আদালত থেকে একটি রায় হয়েছে যেটিতে উনারা ক্ষুব্ধ, আমরা আপিল করেছি। যেহেতু এটি এখন আদালতে বিচারাধীন বিষয় তাই প্রশাসনিকভাবে আলাদা কোনো উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ নেই। উপদেষ্টা বলেন, যখন ফল ঘোষণা করা হয়েছে, আমাদের মন্ত্রণালয় স্বাধীনভাবে ফল ঘোষণা করেনি। আমরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়েই ফল ঘোষণা করেছি। ফলে আমরা মনে করছি আইনি কাঠামোতেই আমাদের কাজগুলো করেছি। সে হিসেবে তারা যেটা চাচ্ছেন তাদের সঙ্গে আমাদের সহানুভূতি রয়েছে। কারণ আমরা মনে করছি আমরা আইনসম্মতভাবেই করেছি। তিনি আরও বলেন, আমাদের শিক্ষক স্বল্পতা রয়েছে। আমরা আরও শিক্ষক নিয়োগ দেব। গত ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ছয় হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এরপর থেকে আন্দোলন করছেন ফল বাতিল হওয়া শিক্ষক প্রার্থীরা। গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আমরা ডিসিদের বক্তব্য শুনেছি এবং আমরা কি করছি, কী করতে যাচ্ছি সে বিষয়ে তাদের অবহিত করেছি। জেলা পর্যায়ের কমিটিতে ডিসিরা রয়েছেন, সেই কমিটিতে যেন বিভিন্ন বিষয় তারা সিরিয়াসলি দেখেন সে বিষয়ে বলা হয়েছে। নির্মাণ কাজ যেন ঠিকমতো হয় সে বিষয়ে বলেছি। অনেক কিন্ডারগার্টেন রয়েছে নীতিমালা অনুযায়ী সেগুলো নিবন্ধিত হওয়া দরকার, কিন্তু অনেকগুলো নিবন্ধিত নয়। সেগুলো নিবন্ধনের ওপর আমরা জোর দিয়েছি। এই উপদেষ্টা বলেন, প্রাথমিকের ৮৫ শতাংশ বই স্কুলে পৌঁছে গেছে। এ মাসের মধ্যে স্কুলে স্কুলে সব বই পৌঁছে যাবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স