আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
বরগুনার তালতলীতে উদ্ধারকৃত এক কেজি নয়শ গ্রাম গাঁজা থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজা বিক্রির অভিযোগ উঠেছে তালতলী থানার এক এসআই সুশান্ত বিশ্বাস ও হৃদয় নামের এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। কিন্তু এসআ্ই সুশান্ত ও পুলিশ কনস্টেবল হৃদয় তা অস্বীকার করেছেন। এ দিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের ও জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, গত শুক্রবার তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের ঠংপাড়া এলাকা থেকে নান্টু নামের এক মাদক কারবারিকে ধাওয়া করে এসআই সুশান্ত বিশ্বাস ও কনস্টেবল হৃদয়। ওই কারবারির হাতে থাকা স্কুলব্যাগে ১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা রেখে পালিয়ে যায়। কিন্তু এসআই সুশান্ত ও কনস্টেবল ওই উদ্ধারকৃত গাঁজা থানায় জমা দেয়নি। এসআই সুশান্ত বিশ্বাস স্থানীয় শহিদুল নামের এক মাদক কারবারির কাছে ওই গাঁজা থেকে ৫০০ গ্রাম দশ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। পরে পুলিশ কনস্টেবল হৃদয় ওই গাঁজা পৌছে দেয় বলে জানান মাদক কারবারি শহীদুল ইসলাম। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, এসআই সুশান্ত বিশ্বাস ও কনস্টেবল হৃদয মাদক কারবারী নান্টুকে না ধরে গাঁজার ব্যাগ নিয়ে অটোগাড়িতে করে স্থান ত্যাগ করেছেন।
মাদক কারবারি শহীদুল ইসলাম বলেন, কনস্টেবল হৃদয় আমাকে ফোন করে গাঁজা বিক্রি করবে বলে জানান। আমি ৫০০ গ্রাম গাঁজা ১০ হাজার টাকায় ক্রয় করেছি। কনস্টেবল হৃদয় আমার কাছে গাঁজা দিয়ে টাকা নিয়ে গেছেন। তিনি আরো বলেন, এসআই সুশান্ত বিশ্বাস সবই জানেন। কনস্টেবল হৃদয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাংবাদিক পুলিশ বন্ধুর মতো। এ বিষয়টি নিয়ে সামনে না এগিয়ে বাদ দেন। অভিযোগ অস্বীকার করে এস আই সুশান্ত বিশ্বাস বলেন, আমার ওইদিন ডিউটি ছিলো না। মামলার তদন্ত কাজে গিয়েছিলাম তখন শুনলাম গাঁজা বিক্রি হচ্ছে। তবে নান্টু নামের ওই গাঁজা ব্যবসায়ীকে ধাওয়া দিলে তিনি অটো রিকশা রেখে পালিয়ে যায়। থানায় জমা না দিয়ে ওই অটোরিকশা স্থানীয়দের জিম্মায় রেখে এসেছি। গাঁজা বিক্রির বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলেও জানান। তালতলী থানার ওসি শাহজালাল বলেন, এ বিষয়টি আমার জানা নেই। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata
