ঢাকা , শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড যশোরে পৃথক অভিযানে ৩৬টি সোনার বারসহ গ্রেফতার ৩ বিএসএফ মহাপরিচালকে ক্ষমা চাইতে হবে: সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ আরও ৪৩২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত ছয় মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ বস্তিবাসী ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন শ্রীপুরে পরিবেশ বিপর্যয় রোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিসিকে আইনি নোটিশ ডিআরইউতে হামলায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় মেহেরপুর জেলা আ’লীগের সদস্যসহ ২ জন রিমান্ডে বিস্ফোরক সংকটে উৎপাদন বন্ধ মধ্যপাড়া পাথর খনিতে জাতীয় পর্যায়ে পালিত হবে লালনের তিরোধান দিবস নঈম নিজামসহ ২ সাংবাদিককে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির আদেশ জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে সিআইডির মামলা বিএসসি-ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের রেষারেষিতে চাকরি সংকট গয়েশ্বর রায়ের দুর্নীতি মামলার রায় পেছালো মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ সরকারের বিএসএফ মহাপরিচালকের ব্যাখ্যায় দ্বিমত বিজিবির ডিজির ১৪ সদস্যের ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন মৎস্য ভবনের সামনে সড়ক অবরোধ প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের
প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ দুবারের বেশি চান না ৬৪ ভাগ মানুষ

সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত জনমত জরিপ

  • আপলোড সময় : ১৭-০২-২০২৫ ০২:৫৪:১৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০২-২০২৫ ০২:৫৪:১৩ অপরাহ্ন
সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত জনমত জরিপ
প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দুবারের বেশি হওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন প্রায় ৬৪ শতাংশ মানুষ। তবে ১০ শতাংশের মতে, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ পরপর দুবারের বেশি হতে পারে। আর ১৫ শতাংশ মনে করে, মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেয়ার প্রয়োজন নেই। সেই সঙ্গে একই ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের প্রধান পদে থাকা উচিত নয় বলে মনে করে ৪৯ শতাংশ এবং ৩৭ শতাংশের মতে, দুই পদে এক ব্যক্তি থাকতে পারেন। পাশাপাশি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দলীয় সরকারের অধীনে ভোটের পক্ষে ৮৬ শতাংশ মানুষ। সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত জাতীয় জনমত জরিপ-২০২৪-এ মানুষের এ ধরনের মতামত উঠে এসেছে। সংবিধান সংস্কার কমিশন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মাধ্যমে জরিপটি পরিচালনা করে। সম্প্রতি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের সঙ্গে জরিপটি প্রকাশ করা হয়। কমিশন তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, জরিপে ৫ থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। দেশের ৬৪ জেলা থেকে সরাসরি সাক্ষাৎকার পদ্ধতিতে ৪৫ হাজার ৯২৫টি খানার (পরিবার) ১৮ থেকে ৭৫ বছর বয়সি মানুষের কাছ থেকে মতামত নেয়া হয়। জরিপের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছে মাত্র ৬ শতাংশ মানুষ। আরও ৬ শতাংশের বেশি এ বিষয়ে না জানার কথা জানিয়েছে। উত্তর দিতে রাজি হয়নি প্রায় ২ শতাংশ মানুষ। জরিপে অংশ নেয়াদের মধ্যে রাষ্ট্রপতির হাতে আরও ক্ষমতা দেয়ার পক্ষে মত দিয়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ। ৪৫ শতাংশ মনে করে, ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতেই থাকা উচিত। জাতীয় সংসদের মেয়াদ চার বছর করার পক্ষে নন সাধারণ মানুষ। পাঁচ বছর মেয়াদের পক্ষে ৭৮ শতাংশ, চার বছরের পক্ষে ১৬ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ। সংসদ গঠনের ক্ষেত্রে নির্বাচন পদ্ধতি কী হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে ৭৮ শতাংশ মানুষ প্রার্থীর প্রাপ্ত সর্বোচ্চ ভোটের পক্ষে মত দিয়েছে। বর্তমানের প্রচলিত ব্যবস্থাকে সমর্থন করেছেন তারা। রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত আনুপাতিক ভোটের ভিত্তিতে সংসদ গঠনের পক্ষে ৯ শতাংশের কম মানুষ। সংসদকে দুইভাগে অর্থাৎ উচ্চ ও নিম্নকক্ষে বিভক্ত করার পক্ষে ৩৫ শতাংশ মানুষ। আর ৩৯ শতাংশ এর বিপক্ষে। ২৩ শতাংশের বেশি মানুষ এর উত্তর দিতে নারাজ। বর্তমান পদ্ধতিতে সংসদ-সদস্যরা সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন না। ৮৩ শতাংশ মানুষ মনে করে, এক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকা উচিত নয়। সংবিধান সংশোধনসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণভোটের পক্ষে মত দিয়েছে প্রায় ৮২ শতাংশ মানুষ। নারী আসনের পক্ষে ৭৫ শতাংশ মানুষ। জাতীয় সংসদে এখন নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনসংখ্যা ৫০। তবে সেখানে সরাসরি ভোট হয় না। সংবিধানে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সুরক্ষিত করার সুস্পষ্ট বিধানের পক্ষে ৯১ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ। নাগরিকদের মতপ্রকাশ ও কথা বলার স্বাধীনতায় কোনো ধরনের বিধিনিষেধ সংবিধানে থাকা উচিত নয় বলে মনে করে ৫৩ শতাংশ উত্তরদাতা। আর ৪৩ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ সাংবিধানিক বিধিনিষেধের পক্ষে। সভা-সমাবেশ ও মিছিলে যোগ দেয়ার স্বাধীনতা সীমিত করার ক্ষমতা সংবিধানে থাকার পক্ষে ৬১ শতাংশের বেশি মানুষ। ২৯ শতাংশ মনে করে, এ ক্ষমতা সংবিধানে থাকা উচিত নয়। বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৯১ সালে গণতন্ত্রে ফেরার পর থেকে বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী (তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা) বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এরপর সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তিনটি জাতীয় নির্বাচন আওয়ামী লীগ দলীয় সরকারের অধীনে করেছে। নির্বাচনগুলো ছিল একতরফা, পাতানো ও প্রহসনের। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। হাইকোর্ট ১৮ ডিসেম্বর নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের দুটি ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বাতিল ঘোষণা করেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বিএসসি-ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের রেষারেষিতে চাকরি সংকট

বিএসসি-ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের রেষারেষিতে চাকরি সংকট