ঢাকা , বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
স্বরাষ্ট্র আইন ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি ডাকসু নেতাদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অপসারণসহ ৫ দাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের হাদির হামলাকারীরা সীমান্ত পেরিয়েছে কি-না, নিশ্চিত নয় বিজিবি সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীকে খুনসহ দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ সাংবাদিক আনিস আলমগীরের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন সহিংসতার আশঙ্কায় বাংলাদেশে ভ্রমণ সতর্কতা জারি মার্কিন দূতাবাসের ওসমান হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের পথে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়নি-সিইসি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ইসির নির্দেশ বিজয়ের অঙ্গীকার হোক মানুষের পাশে দাঁড়ানো-তারেক রহমান গরীব ও অবহেলিতদের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত জনপ্রিয়তা বিবেচনায় জোটের আসন বণ্টনের পরিকল্পনা ৮ ইসলামী দলের বিজয় উৎসবে প্যারাজাম্পের কারণে ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল চলাচল নতুন কূপে থেকে দিনে মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস চালুর আগে পারমাণবিক বাস নিয়ে রূপপুর প্রকল্পের প্রচারাভিযান আমৃত্যু কারাদণ্ডের পরিবর্তে হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আবেদন ওসমান হাদীকে গুলির ঘটনায় মামলা ডিবিতে হস্তান্তর সংসদ ও গণভোটে কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতার নির্দেশ সরকারের পেট্রোবাংলার পরিচালক রফিকুলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু নভেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫০৭ আহত ৮৯৯
দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযান

২৫ কর্মকর্তার নামে লকার খুঁজে পায়নি দুদক

  • আপলোড সময় : ১০-০২-২০২৫ ০৪:০৪:১৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০২-২০২৫ ০৪:০৪:১৫ অপরাহ্ন
২৫ কর্মকর্তার নামে লকার খুঁজে পায়নি দুদক
সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারসহ ২৫ কর্মকর্তার নামে সেফ ডিপোজিট লকার খুঁজে পায়নি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। অভিযান শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন দুদকের পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জমান। কাজী সায়েমুজ্জমান বলেন, যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকে এসেছিলাম, তাদের নামে লকার নেই। আরও অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। আদালতের অনুমোদনের ভিত্তিতে পরবর্তী অভিযান চালাবে দুদক। ২৫ জনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাই। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাদের অনেকেই এখনো বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মরত; অনেকে এখন চাকরিতে নেই। এখন পর্যন্ত মোট ২৭২টি সেফ ডিপোজিট লকারের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১২টায় দুদকের পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জমানের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি দল বাংলাদেশ ব্যাংকের লকারে তল্লাশি চালাতে আসে। আদালতের অনুমতির সাপেক্ষে অনুসন্ধান চালানে হয়। গত ২৬ জানুয়ারি দুদক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের লকারে তল্লাশি করে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার সম্পদের সন্ধান পায়। সেগুলো এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জিম্মায় রাখা হয়েছে। অভিযানের সময় দুদক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নামে আরও কিছু লকার খুঁজে পায়। এর মধ্যে যাদের নামে বর্তমানে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলছে, তাদের নামেও লকার থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ কারণে দুদক ওই সব লকারেও তল্লাশি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ ফেব্রুয়ারি দুদক থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে চিঠি দেওয়া হয়। কেউ যেন ওই সব লকার খুলতে না পারে, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানায় তারা। এরপর থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল শাখার লকার আর কাউকে খুলতে দেওয়া হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, দুদক তালিকা নিয়ে এসেছিল। তারা লকারের তালিকা খুঁজে দেখেছে, কিন্তু তালিকাভুক্ত কারও লকার খুঁজে পায়নি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ