ঢাকা , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ , ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
গোমস্তাপুরে হাঁস পালন করে ভাগ্য পরিবর্তন, তরুণদের অনুপ্রেরণা শরিফুল ইসলাম গোমস্তাপুরে বারোমাসি আম চাষে সাফল্যের গল্প নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে দু-একটি দল ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে-সালাহউদ্দিন আহমদ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখছে ইসি রোডম্যাপ ঘোষণা সুষ্ঠু নির্বাচন ভন্ডুলের নীল নকশা-তাহের আদালতের প্রতি ‘আস্থা’ নেই বলে জামিন চাননি লতিফ সিদ্দিকী বিচার-সংস্কার নির্বাচনের মুখোমুখি গ্রহণযোগ্য নয়-সাকি তথ্য ক্যাডারে অসন্তোষ হতাশা সিনিয়রদের নির্বাচন না হলে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে-মির্জা ফখরুল আমরা পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ নারায়ণগঞ্জে বিস্ফোরণে আরও ১ জনের মৃত্যু ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন- ফারুক নরসিংদীতে টনসিল অপারেশনে শিশুর মৃত্যু ২ চিকিৎসক আটক ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচিতে মানুষের ঢল, ১০ দফা ঘোষণা ডেমরায় শহীদ আবু সাঈদ মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের দাবি বিচার, সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ চাই- রাশেদ প্রধান প্রকৌশলীদের অধিকার রক্ষায় আইইবির বিবৃতি ৩ মাস পরও খুলছে না রহস্যের জট হাওর মহাপরিকল্পনার খসড়া প্রতিবেদন
নিয়োগ বাতিল হওয়া নারীসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক আহত

প্রাথমিক শিক্ষকদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ

  • আপলোড সময় : ০৮-০২-২০২৫ ০৪:১০:১০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-০২-২০২৫ ০৪:১০:১০ অপরাহ্ন
প্রাথমিক শিক্ষকদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ
* নিয়োগ বাতিলের রায়ে আদালতে শিক্ষকদের বিক্ষোভ-কান্না


উচ্চ আদালতের রায়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বাতিল হওয়া প্রার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে তাদের ওপর জলকামান থেকে পানি ছিটিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়।
গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এর আগে সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হয়ে সমাবেশ করেন নিয়োগ বাতিল হওয়া প্রার্থীরা। পরে তারা এক মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে চলে আসেন। এসময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা পুলিশের বাধা ডিঙিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। তখন পুলিশের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ ও জলকামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
নিয়োগ বাতিলের রায়ে আদালতে শিক্ষকদের বিক্ষোভ-কান্না: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগের কার্যক্রম বাতিল করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই সংক্রান্ত রায় ঘোষণার পরপরই আদালতে উপস্থিত চাকরিপ্রার্থীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এসময় তারা হাইকোর্টের এজলাস কক্ষের সামনের বারান্দায় হইচই ও হট্টগোল করেন। এরপর চাকরিপ্রার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে। এর আগে জারি করা এ সংক্রান্ত রুল যথাযথ ঘোষণা (অ্যাবসোলুট) করে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন।
হাইকোর্ট তার রায়ে আপিল বিভাগের কোট সংক্রান্ত সর্বশেষ রায় অনুসরণ করে নতুন করে ফলাফল প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আখতার হোসেন মো. আবদুল ওয়াহাব।
এদিকে, বৃহস্পতিবার আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণরা। রায়ের পর সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন তারা। এসময় হাইকোর্টের দরজার সামনে থাকা পুলিশকে সরিয়ে আদালতের এজলাস কক্ষে ঢোকার চেষ্টা করেন তারা। এক পর্যায়ে, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকতে এবং আদালতের সামনে বিক্ষোভ না করার অনুরোধ করে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে নিয়োজিত অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা এসে ২৪ নম্বর এনেক্স ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেন। পরবর্তীতে তারা সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ ছাড়েন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণদের নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা অনুসরণের অভিযোগে উত্তীর্ণদের ফলাফল প্রকাশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নিয়োগ বঞ্চিত ৩০ প্রার্থী হাইকোর্টে রিট করেন। সে রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ১৯ নভেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেন। আদালত তার আদেশে এই নিয়োগ কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। আর রুলে ৩১ অক্টোবর ফলাফল প্রকাশের বিজ্ঞপ্তি ও নিয়োগ বিষয়ে ১১ নভেম্বরের নির্দেশনা সংবলিত স্মারক কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় দেন হাইকোর্ট।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ২৩ জুলাই কোটাপদ্ধতি সংশোধনের পর প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবরের জারি করা পরিপত্রসহ আগের এ-সংক্রান্ত সব পরিপত্র বা প্রজ্ঞাপন বা আদেশ রহিত করা হলো। ফলে আগের কোনো আদেশ বহাল থাকছে না। তবে রিটকারী পক্ষের আইনজীবী বলেন এই ৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থীকে নির্বাচন করে নিয়োগের ক্ষেত্রে আগের সেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯ অনুসরণ করা হয়। যেখানে নারী কোটা ৬০ শতাংশ, পোষ্য কোটা ২০ শতাংশ, ৪ শতাংশ অন্যান্য কোটা ছিল। তাই এই ফলাফল ও নিয়োগের বিষয় চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ