ঢাকা , শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বিএসএফ মহাপরিচালকের ব্যাখ্যায় দ্বিমত বিজিবির ডিজির ১৪ সদস্যের ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন মৎস্য ভবনের সামনে সড়ক অবরোধ প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের শিশু ধর্ষণ আশঙ্কাজনক বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ সিলেটে পুকুর থেকে সাদাপাথর উদ্ধার ভোলাগঞ্জের পাথর লুট করে ১৫০০-২০০০ ব্যক্তি বাংলাভাষী লোকজনকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে দেশছাড়া করতে দেব না- মমতা রোডম্যাপকে স্বাগত জানাই-জোনায়েদ সাকি ইসির রোডম্যাপে খুশি বিএনপি-মির্জা ফখরুল ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে ইন্টার মায়ামি টাইব্রেকারে গ্রিমসবির কাছে হেরে বিদায় নিলো ম্যানইউ নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন হামজা ‘মুসলিম হওয়ার কারণে অনেকে আমাকে টার্গেট করেন’ ভারতের ২৬ বিশ্বকাপ জেতার সুযোগ দেখছেন না শ্রীকান্ত নতুন ক্যাটাগোরিতে বেতন কত কমল বাবর-রিজওয়ানের? বড় ব্যবধানে হারলো সাকিবের ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স বাংলাদেশকে হারানো সহজ হবে না: স্কট এডওয়ার্ডস রাকসু নির্বাচনের তফসিল ৩য় বারের মতো পুনর্বিন্যস্ত পিছিয়েছে ভোট জকসু নির্বাচনে বয়সসীমা থাকছে না

উত্তরবঙ্গের সব পেট্রোল পাম্প বন্ধ ঘোষণা

  • আপলোড সময় : ০৬-০২-২০২৫ ১২:১৫:৩১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৬-০২-২০২৫ ১২:১৫:৩১ অপরাহ্ন
উত্তরবঙ্গের সব পেট্রোল পাম্প বন্ধ ঘোষণা
সড়ক জনপথ বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সকল পেট্রোল পাম্পে অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল উত্তোলন, বিপণন ও পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস এন্ড পেট্রোল পাম্প ওর্নাস অ্যাসোসিয়েশন। গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই ধর্মঘট শুরু হয়। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করে সকল পেট্রোল পাম্প মালিকদের তেল উত্তোলন, বিপণন ও পরিবহন বন্ধ রাখার আহবান জানিয়েছেন সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত মঙ্গলবার বগুড়া জেলার সড়ক ও জনপথ বিভাগ কোনো প্রকার পূর্বঘোষণা, নোটিশ বা আনুষ্ঠানিক চিঠি প্রদান না করে আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। এই অযৌক্তিক ও অন্যায় অভিযানের ফলে পেট্রোল পাম্প মালিকগণ চরম হতাশ ও ক্ষুদ্ধ। আমরা এই অভিযানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এই অপ্রত্যাশিত ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সকল পেট্রোল পাম্প মালিকগণ অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল উত্তোলন, বিপণন ও পরিবহন ধর্মঘট আহ্বান করা হয়েছে। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সকল পেট্রোল পাম্প মালিকগণ এই ধর্মঘট যথাযথ ভাবে পালন করবেন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে সরকার নির্ধারিত সকল নিয়ম-কানুন মেনে ও বৈধ লাইসেন্স অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। নিয়মিত রাজস্ব প্রদান করে আমরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছি। অথচ, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালিত হয়ে আসলেও অতীতে কখনো এমন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়নি। এতে আমাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, হঠাৎ করে এই অভিযান কেন, কার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো? যখন দেশের জ্বালানি খাত স্থিতিশীল, তখন এই ধরনের অভিযান ব্যবসায়ী সমাজের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করছে এবং সরকারে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্র চলছে বলে আমাদের আশঙ্কা। তাই সম্মানিত রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের পেট্রোল পাম্প মালিকগণ, আপনাদের প্রতি অনুরোধ রইল, এই ধর্মঘট সফল করতে সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকুন ও সম্মিলিতভাবে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করুন। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস এন্ড পেট্রোল পাম্প ওর্নাস অ্যাসোসিয়েশন রাজশাহী বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক মো. আব্দুল জলিল রাতেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিকে গতকাল বুধবার সকাল থেকে সকল পেট্রোল পাম্পে অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল উত্তোলন, বিপণন ও পরিবহনে ধর্মঘটের ডাক দেওয়ার খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে নাটোরে মোটরসাইকেল আরোহী, প্রাইভেট কার, মাইক্রোগাড়ির মালিক-চালকরা গত মঙ্গলবার রাত থেকে পেট্রোল, অকটেন তোলার জন্য নাটোর শহরের স্টেশন বাজার, হাফরাস্তা, মাদ্রাসা মোড়, চকরাম এলাকাসহ রাজশাহী-নাটোর মহাসড়ক, নাটোর-বগুড়া মহাড়ক, নাটোর-পাবনা মহাসড়কের ধারেসহ আশে পাশের পেট্রল পাম্পগুলোতে ভিড় করতে দেখা গেছে। অনেকে ৫ লিটার, ১০ লিটার আবার অনেকে টাঙ্কি ভরে তেল সংগ্রহ করেছেন। সরজমিনে রাত সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পগুলোতে লাইন ধরে তেল নিতে দেখা গেছে। কোনো কোনো পাম্পে তেল নেই, ফুরিয়ে গেছে বলে অনেককে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। শহরের হাফরাস্তা এলাকার পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসা অনিক মাহমুদ, লিমন হোসেন, ইস্রাফিল হোসেন সহ অনেকে জানান, সারা দিন কর্মের প্রয়োজনে মোটরসাইকেল নিয়ে দৌড়ঝাপ করতে হয়। ধর্মঘট শুরু হলে তেল পাওয়া যাবে না। তাই খবর পেয়ে তারা তেল নিতে এসেছেন। তারা অন্যান্য পেট্রোল পাম্পেও তেল নেয়ার চেষ্টা করেছেন কিন্তু তেল ফুরিয়ে গেছে বলে তাদের ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। কোনো কোনো পাম্প মালিক ধর্মঘটের কথা শুনে নির্ধাারত সময়ের আগেই বন্ধ করে রেখেছেন। প্রাইভেট কার চালক সোহ হোসেন জানান, সারাদিন ভাড়া খাটেন, তার গাড়িতে গ্যাস ফুরিয়ে গেছে, তাই জ্বালানি হিসেবে বেশি করে পেট্রোল তুলে রাখলেন। তাদের মত অনেকে তেল নিতে পারেননি। ফলে তাদের ভোগান্তি পোহাতে হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স