ঢাকা , শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বিএসএফ মহাপরিচালকের ব্যাখ্যায় দ্বিমত বিজিবির ডিজির ১৪ সদস্যের ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন মৎস্য ভবনের সামনে সড়ক অবরোধ প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের শিশু ধর্ষণ আশঙ্কাজনক বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ সিলেটে পুকুর থেকে সাদাপাথর উদ্ধার ভোলাগঞ্জের পাথর লুট করে ১৫০০-২০০০ ব্যক্তি বাংলাভাষী লোকজনকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে দেশছাড়া করতে দেব না- মমতা রোডম্যাপকে স্বাগত জানাই-জোনায়েদ সাকি ইসির রোডম্যাপে খুশি বিএনপি-মির্জা ফখরুল ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে ইন্টার মায়ামি টাইব্রেকারে গ্রিমসবির কাছে হেরে বিদায় নিলো ম্যানইউ নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন হামজা ‘মুসলিম হওয়ার কারণে অনেকে আমাকে টার্গেট করেন’ ভারতের ২৬ বিশ্বকাপ জেতার সুযোগ দেখছেন না শ্রীকান্ত নতুন ক্যাটাগোরিতে বেতন কত কমল বাবর-রিজওয়ানের? বড় ব্যবধানে হারলো সাকিবের ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স বাংলাদেশকে হারানো সহজ হবে না: স্কট এডওয়ার্ডস রাকসু নির্বাচনের তফসিল ৩য় বারের মতো পুনর্বিন্যস্ত পিছিয়েছে ভোট জকসু নির্বাচনে বয়সসীমা থাকছে না
ব্যবসায়ীর চোখ উপড়ানোর মামলা

৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • আপলোড সময় : ০১-১২-২০২৪ ১১:৪১:০৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-১২-২০২৪ ১১:৪১:০৭ অপরাহ্ন
৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রাজধানীর ডেমরা এলাকায় রাজীবুল আলম নামে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে দুই চোখ উপড়ে ফেলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পাঁচ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাভোগ করতে হবে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, বিজয় ওরফে শামীম আহম্মেদ, দ্বীন ইসলাম, মো. ইকবাল, নাছু ওরফে নাসির উদ্দিন ও রাজিব ওরফে মোটা রাজিব। এছাড়াও মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার জনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। খালাস প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, রিপন, রাশেদ, তপন ও রাসেল ওরফে রোসেল ওরফে মমিতুর রহমান। এদিকে আসামি রাশেদ, রিপন ও ইকবাল আদালতে হাজিরা দিলেও রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন না। মামলায় জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিরাও অনুপস্থিত ছিলেন। মামলার প্রধান আসামি রুবেল ২০১০ সালের ১৬ মার্চ র?্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০০৮ সালের ২৭ নভেম্বর রাত পৌনে ৯টার দিকে রিকশাযোগে ভিকটিম রাজীবুল আলম ডেমরায় বোর্ড মিল এলাকা থেকে বাসার উদ্দেশ্য রওনা হন। পথিমধ্যে আসামিরা রিকশা আটকিয়ে রাজীবুলকে একটি ফাঁকা প্লট নিয়ে যায়। এরপর তার হাত পা বেঁধে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে দুই চোখ উপড়ে ফেলে। এই ঘটনায় পরের দিন রাজীবুলের বাবা শাহ আলম বাদী হয়ে ডেমরা থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ডেমরা থানার পুলিশ পরিদর্শক মীর আতাহার আলী ১০ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর ৯ আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলাটি বিচার চলাকালীন সময়ে ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।
সন্তুষ্ট নয় ভিকটিম
রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ভুক্তভোগী রাজীবুল আলম বলেন, ‘আমরা ন্যায়বিচার পাইনি। আমার চোখ উপড়ানোর ঘটনার সঙ্গে ১০ জন আসামি জড়িত ছিল। কিন্তু আদালত ৪ জনকে খালাস দিয়েছেন। সমান অপরাধ করেও বাকিরা কীভাবে খালাস পায়? আমরা উচ্চ আদালতে যাবো।’ রায়ে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়ে রাজীবুলের স্ত্রী মলি আক্তার বলেন, ‘১৬ বছর আগে আমার স্বামীর চোখ উপড়ে ফেলা হয়। সন্তানসহ কত কষ্ট নিয়ে আমরা জীবনযাপন করছি, অথচ ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা খালাস পেয়ে গেলো। চার্জশিটে তদন্ত কর্মকর্তা সব আসামির সংশ্লিষ্টতা পেয়েছেন। অভিযোগপত্রেও তাদের নাম রয়েছে। এ মামলায় রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করবো।’
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স