ঢাকা , রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫ , ২৩ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
ভাগাড়সহ কোথাও ময়লা পোড়ানো যাবে নাÑ পরিবেশ উপদেষ্টা স্বস্তিতে ঢাকায় ফিরছে মানুষ চ্যালেঞ্জের মুখে দেশের অর্থনীতি বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেইÑ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী আন্দোলনে বিএনপিসহ সমমনারা আলোচনার মাধ্যমে ইতিবাচক সমাধান হবে জোটের মধ্যে ফাটল ধরেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ বিমানবন্দরে সিকিউরিটি বিভাগে ছন্দপতন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে মানুষকে স্বাবলম্বী করবে জামায়াত পৃথক সচিবালয় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সহায়ক হবে- প্রধান বিচারপতি নতুন পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে -সিএমজিকে প্রধান উপদেষ্টা চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যযুদ্ধে ফেঁসে যাচ্ছে অ্যাপল বগুড়ার ৭টি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা জরুরি আলো জ্বলছিল অ্যাম্বুলেন্সে, তবুও চলে গুলি ভাঙা চোয়াল নিয়ে ৪০ কি.মি. বাস চালিয়ে থানায় চালক পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকা ডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে বিনিয়োগ বাড়ানোই মূল চ্যালেঞ্জ শরীয়তপুরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ লাঙ্গলবন্দে মহাঅষ্টমীর স্নানোৎসবে পুণ্যার্থীদের ঢল আপনার প্রতি অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি
দ্য ডেইলি স্টারকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস

রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়

  • আপলোড সময় : ২১-১১-২০২৪ ১২:১৮:০১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-১১-২০২৪ ১২:১৮:০১ পূর্বাহ্ন
রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি বলে সংস্কার চায় না, তাহলে এখনই নির্বাচন দেব। দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনামকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। গতকাল বুধবার  সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হয়েছে। ড. ইউনূস বলেন, গণমাধ্যমে সম্পাদকীয় লেখা হবে, তাদের মতামত আসবে। সুশীল সমাজের মতামত নেব। তার মতে, সংস্কারের সময়সীমা নির্ভর করবে রাজনৈতিক দলগুলো কত দ্রুত ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারবে তার ওপর। কারণ রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়।
সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস বলেন, সংস্কার যত দ্রুত হবে, নির্বাচনও তত দ্রুত হবে। আর যদি রাজনৈতিক দলগুলো বলে যে তারা সংস্কার চায় না, তাহলে এখনই নির্বাচন দিয়ে দেব। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি আমাদের বলে, দরকার নেই, যেভাবে আছে সেভাবেই (নির্বাচন) করে দেন, আমরা করে দেব। এটা প্রস্তুত থাকবে। (সংস্কার) প্রস্তুতি নিতে কতদিন লাগবে সেটা সবার বিবেচনার বিষয়। নির্বাচনের জন্য হয়ত প্রস্তুত কেউ হলোই না। সংস্কারের আগেই সবাই যদি বলে নির্বাচন দিয়ে দেন, দিয়ে দেব। আমরা কে এটাকে বাধা দেওয়ার!
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সংস্কারের ধরন ও পরিধি নির্ধারণ করবে রাজনৈতিক দলগুলো এবং তাদের ঐকমত্যের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত হবে যে নির্বাচন কত দ্রুত হবে। ড. ইউনূস বলেন, অন্তর্র্বতী সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের মাধ্যমে নির্বাচনের পথ তৈরি করবে। তিনি বলেন, আমরা কোনো কিছুই চাপিয়ে দিচ্ছি না।
নির্বাচনের রোডম্যাপ সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা সমান্তরালভাবে দুটো রাস্তায় চলছি। সমান দৃষ্টিভঙ্গি, সমান প্রচেষ্টা দুটোর পেছনেই থাকবে একটি হলো নির্বাচন, অপরটি সংস্কার।
ড. ইউনূস বলেন, দু-একদিনের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন ঘোষণা হয়ে যাবে। কমিশন তার মতো চলবে। সেটা তো আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। সেখানে যা যা দরকার সেটা হবে।
তবে তিনি উল্লেখ করেন, সংস্কার কমিশন প্রতিবেদন জমা না দেওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন কাজ শুরু করতে পারবে না। প্রতিবেদন হলেই সেটা কমিশন ব্যবহার করতে পারবে না, (রাজনৈতিক) সমঝোতা হতে হবে। তিনি জানান, ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। কিন্তু প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হলে রাজনৈতিক ঐকমত্যের প্রয়োজন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক হবে। সমঝোতার চেষ্টা চলতে থাকবে, কোনটা তারা চান, কোনটা চান না। আমরা কিছুই চাপিয়ে দেব না।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স