ঢাকা , বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
স্বরাষ্ট্র আইন ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি ডাকসু নেতাদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অপসারণসহ ৫ দাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের হাদির হামলাকারীরা সীমান্ত পেরিয়েছে কি-না, নিশ্চিত নয় বিজিবি সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীকে খুনসহ দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ সাংবাদিক আনিস আলমগীরের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন সহিংসতার আশঙ্কায় বাংলাদেশে ভ্রমণ সতর্কতা জারি মার্কিন দূতাবাসের ওসমান হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের পথে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়নি-সিইসি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ইসির নির্দেশ বিজয়ের অঙ্গীকার হোক মানুষের পাশে দাঁড়ানো-তারেক রহমান গরীব ও অবহেলিতদের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত জনপ্রিয়তা বিবেচনায় জোটের আসন বণ্টনের পরিকল্পনা ৮ ইসলামী দলের বিজয় উৎসবে প্যারাজাম্পের কারণে ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল চলাচল নতুন কূপে থেকে দিনে মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস চালুর আগে পারমাণবিক বাস নিয়ে রূপপুর প্রকল্পের প্রচারাভিযান আমৃত্যু কারাদণ্ডের পরিবর্তে হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আবেদন ওসমান হাদীকে গুলির ঘটনায় মামলা ডিবিতে হস্তান্তর সংসদ ও গণভোটে কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতার নির্দেশ সরকারের পেট্রোবাংলার পরিচালক রফিকুলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু নভেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫০৭ আহত ৮৯৯

৪৬ বছরে পাচার ৮ লাখ কোটি টাকা-অর্থনীতি সমিতি

  • আপলোড সময় : ২২-১০-২০২৪ ১২:০৭:৪৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-১০-২০২৪ ১২:০৮:১০ অপরাহ্ন
৪৬ বছরে পাচার ৮ লাখ কোটি টাকা-অর্থনীতি সমিতি
স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছর পর্যন্ত ৪৬ বছরে দেশ থেকে পাচার হওয়ার টাকার পরিমাণ ৭ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে অর্থ পাচারের পরিমাণ কমপক্ষে ৭৫ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা, যা একই অর্থ বছরের সৃষ্ট মোট কালো টাকার ৯ শতাংশের সমপরিমাণ। দেশ থেকে পাচার হওয়া এই অর্থ ফেরত আনতে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি। একইসঙ্গে অর্থ পাচারের উৎসগুলো বন্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টাকে সর্বোতভাবে সমর্থন জানিয়েছে। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সমর্থনের কথা জানানো হয়। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি মনে করছে, দেশের অর্থনীতিতে ক্যানসার ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়া কালো টাকা, অর্থপাচার ও দুর্নীতির মতো মৌলিক সমস্যা নির্মূলে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সমর্থ হবে। অর্থনীতিতে পেশাদারদের সংগঠনটি মনে করছে, প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অন্তত ৩ শতাংশের সমপরিমাণ মতো অর্থ পাচার হয়ে যাচ্ছে, যা দেশে বহুমাত্রিক বৈষম্য ও দারিদ্র্যের বিস্তার ঘটাচ্ছে এবং সর্বগ্রাসী দুর্নীতিকে উৎসাহিত করছে। অর্থনীতি সমিতির হিসাবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশে অর্থ পাচারের পরিমাণ হবে কমপক্ষে ৭৫ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা, যা একই অর্থবছরের সৃষ্ট মোট কালো টাকার (৮ লাখ ৪১ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা) ৯ শতাংশের সমপরিমাণ এবং একই অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের ১৬.৩ শতাংশের সমপরিমাণ। এ হিসাবে ৪৬ বছরে (১৯৭২-৭৩ থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে) দেশের মোট অর্থ পাচারের পরিমাণ হবে কমপক্ষে ৭ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৭ কোটি টাকা। যেখানে প্রতিবছর বাজেট সংকুলানের জন্য সরকারকে দেশি-বিদেশি বিপুল ঋণ নিতে হচ্ছে, সেখানে মোট বাজেটের প্রায় এক-পঞ্চমাংশের সমপরিমাণ অর্থ পাচার হয়ে যাওয়া জাঁতি হিসেবে অত্যন্ত উদ্বেগের। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে অন্তর্বর্তী সরকারের টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। তবে মনে করে, যেহেতু দুর্নীতি-কালো টাকা-অর্থ পাচার বাংলাদেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও উন্নত করার পথে অন্যতম প্রতিবন্ধকে পরিণত হয়েছে, সেহেতু ‘দুর্নীতি, কালো টাকা ও অর্থ পাচার কমিশন’ শীর্ষক একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করা প্রয়োজন। ‘বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির বিকল্প বাজেট প্রস্তাবনা ২০২৩-২৪: বৈষম্য নিরসনে জনগণতান্ত্রিক বাজেট’ দলিলে এই কমিশনের বিশদ রূপরেখা দেওয়া আছে। যেখানে উল্লেখ করা হয়, এই কমিশনের প্রধান কাজ হবে দুর্নীতি, কালোটাকা ও অর্থ পাচারসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি গভীর অনুসন্ধান ও গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড নিরন্তর চালিয়ে যাওয়া এবং অনুসন্ধান-গবেষণার ফল প্রতি তিন মাস অন্তর গণমাধ্যমে জনগণকে অবহিত করা।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ