ঢাকা , রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫ , ২৩ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
ভাগাড়সহ কোথাও ময়লা পোড়ানো যাবে নাÑ পরিবেশ উপদেষ্টা স্বস্তিতে ঢাকায় ফিরছে মানুষ চ্যালেঞ্জের মুখে দেশের অর্থনীতি বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেইÑ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী আন্দোলনে বিএনপিসহ সমমনারা আলোচনার মাধ্যমে ইতিবাচক সমাধান হবে জোটের মধ্যে ফাটল ধরেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ বিমানবন্দরে সিকিউরিটি বিভাগে ছন্দপতন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে মানুষকে স্বাবলম্বী করবে জামায়াত পৃথক সচিবালয় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সহায়ক হবে- প্রধান বিচারপতি নতুন পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে -সিএমজিকে প্রধান উপদেষ্টা চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যযুদ্ধে ফেঁসে যাচ্ছে অ্যাপল বগুড়ার ৭টি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা জরুরি আলো জ্বলছিল অ্যাম্বুলেন্সে, তবুও চলে গুলি ভাঙা চোয়াল নিয়ে ৪০ কি.মি. বাস চালিয়ে থানায় চালক পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকা ডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে বিনিয়োগ বাড়ানোই মূল চ্যালেঞ্জ শরীয়তপুরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ লাঙ্গলবন্দে মহাঅষ্টমীর স্নানোৎসবে পুণ্যার্থীদের ঢল আপনার প্রতি অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি

নোয়াখালীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা হাসপাতালে ৩ জন

  • আপলোড সময় : ৩০-০৯-২০২৪ ১২:১৭:১৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-০৯-২০২৪ ১২:১৭:১৬ পূর্বাহ্ন
নোয়াখালীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা হাসপাতালে ৩ জন
নোয়াখালী সদর উপজেলায় ইউনিয়ন যুবলীগের এক নেতাকে স্থানীয়রা পিটিয়ে আহত করার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। হাসপাতালে আছেন আরও তিনজন। গত শনিবার বিকালে উপজেলার পূর্ব চর মটুয়া গ্রাম থেকে তাদের গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। পরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাতে একজনের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন সুধারাম মডেল থানার ওসি মীর জাহেদুল হক। নিহত মো. আবদুস শহিদ (৪৩) ওই গ্রামের মমিন উল্যাহ মুন্সির ছেলে। গণপিটুনিতে আহত অন্যরা হলেন- মো. জামাল হোসেন (৪৩), মো. জাবেদ (২৮) ও মো. রিয়াদ হোসেন (২৮)। শহিদ পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম। এদিকে শহিদকে পিটুনির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ১ মিনিট ৮ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায় হাত বাধা শহিদ ঘরের মেঝেতে পড়ে আছেন। এ অবস্থায় তাকে পিটুনি দিচ্ছে যুবকসহ কয়েকজন। এ সময় তারা সহিদকে লাঠি দিয়ে মারতে থাকে এবং কেউ কেউ মাথায়, মুখে ও বুকে লাথিও দেয়। স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে কিছু লোক ওই গ্রামের ইসমাইল মুহুরী বাড়ি ঘেরাও করে। সেখানে শহিদসহ চারজনকে আটক করে একটি শটগান উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের গণপিটুনি দিলে চারজনই গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর ১৬ রেজিমেন্ট আর্টিলারি ক্যাপ্টেন ইফতেখার আহমেদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে চারজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার এবং একটি শটগান জব্দ করা হয়। ওসি আরও বলেন, উদ্ধারের পর তাদের ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে যৌথ বাহিনী। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টার দিকে শহিদ মারা যান। অন্য তিনজন একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শহিদকে ‘থানা-পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করে ওসি বলেন, তার বিরুদ্ধে থানায় ডাকাতি, অস্ত্র মামলাসহ আটটি মামলা আছে।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স