ঢাকা , রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫ , ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ নুরের ওপর হামলা গভীর ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের অংশ- অ্যাটর্নি জেনারেল একটি গোষ্ঠী নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে নুরের ওপর হামলায় জড়িত কেউ রেহাই পাবে না সাত বছর পর চীন সফরে গেলেন নরেন্দ্র মোদি অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি বদ্ধপরিকর- তারেক রহমান অদৃশ্য অরাজকতায় ষড়যন্ত্রের আভাস পোরশায় সবজি বাজারে ঊর্ধ্বগতি, কিনতে ক্রেতাদের পকেট খালি ধানের প্রকৃত নামেই চাল বাজারজাত করতে হবে গোমস্তাপুরে হাঁস পালন করে ভাগ্য পরিবর্তন, তরুণদের অনুপ্রেরণা শরিফুল ইসলাম গোমস্তাপুরে বারোমাসি আম চাষে সাফল্যের গল্প নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে দু-একটি দল ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে-সালাহউদ্দিন আহমদ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখছে ইসি রোডম্যাপ ঘোষণা সুষ্ঠু নির্বাচন ভন্ডুলের নীল নকশা-তাহের আদালতের প্রতি ‘আস্থা’ নেই বলে জামিন চাননি লতিফ সিদ্দিকী বিচার-সংস্কার নির্বাচনের মুখোমুখি গ্রহণযোগ্য নয়-সাকি তথ্য ক্যাডারে অসন্তোষ হতাশা সিনিয়রদের নির্বাচন না হলে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে-মির্জা ফখরুল আমরা পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ
রয়টার্সকে সাক্ষাৎকারে জয়

দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত শেখ হাসিনা

  • আপলোড সময় : ২৬-০৯-২০২৪ ০১:০২:৩২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৯-২০২৪ ০১:০২:৩২ পূর্বাহ্ন
দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত শেখ হাসিনা
ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ জয় তার মায়ের দেশে ফেরা নিয়ে কথা বলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি থেকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে সাক্ষাৎকার দেন। গতকাল বুধবার তার এ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা কবে দেশে ফিরতে পারেন জানতে চাইলে তিনি উত্তর দেন, এটি তার ওপর নির্ভর করবে। তিনি দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত। জয় বলেন, এই মুহূর্তে আমি আমার দলের লোকদের নিরাপদ রাখতে চাই, তাই আমি দলের নেতাকর্মীদের ওপর চালানো নৃশংসতা সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সচেতনতা বাড়াতে চাই।
এর আগে গত মাসে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ছাত্রদের দাবি করা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়ার বিষয়ে শেখ হাসিনা বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত। এছাড়া আওয়ামী লীগ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় বলেও জানান তিনি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাস থেকে দিল্লির কাছাকাছি আশ্রয়ে রয়েছেন শেখ হাসিনা। এ সময়ে আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতাকে আন্দোলনে এক হাজারের বেশি নিহতের ঘটনায় সম্পৃক্ততায় অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অনেকে আত্মগোপনে চলে গেছেনে।
জয় অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিনিধিরা এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিক সাড়া দেননি। সাক্ষাৎকারে ১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচনের বিষয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের দেয়া টাইমলাইনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। এ সময়কে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক দেরি বলে মন্তব্য করেন তিনি। জয় বলেন, তার দল আওয়ামী লীগকে ছাড়া দেশে প্রকৃত সংস্কার ও নির্বাচন অসম্ভব।
আগামী দেড় বছরের মধ্যে নির্বাচন হওয়া উচিত বলে সেনাপ্রধান যে মন্তব্য করেছেন, তাতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র ও উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেছেন, তার দল আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে কার্যকর কোনো সংস্কার বা নির্বাচন করা অসম্ভব। নির্বাচন আয়োজনের সময় আরও আগেই প্রত্যাশিত ছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। রক্তক্ষয়ী ছাত্র বিক্ষোভের সময় শেখ হাসিনাকে রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অস্বীকৃতি জানানোর পর ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। তবে সোমবার রয়টার্সে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে সেনাপ্রধান বলেন, বাংলাদেশে দেড় বছরের মধ্যেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণ হওয়া উচিত। ‘পরিস্থিতি যাই হোক না কেন’ তিনি মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দিয়ে যাবেন। ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় গত মঙ্গলবার রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, শেষপর্যন্ত আমরা একটা সময়সীমা পেয়েছি, এতে আমি খুশি। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, একটি অসাংবিধানিক, অনির্বাচিত সরকার দেশে নানা সংস্কারের কথা বলছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলবে। তিনি বাংলাদেশে সেনা অভ্যুত্থানের অতীত কিছু উদাহরণও তুলে ধরেন। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ বাহিনী অকার্যকর হয়ে পড়লে সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করে। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, দেশের সবচেয়ে পুরনো এবং বৃহত্তম রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে কোনো গ্রহণযোগ্য সংস্কার বা নির্বাচন করা অসম্ভব। এটা অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর নির্ভর করছে যে, তারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলোচনা করবে নাকি তাদের মতো করে নির্বাচন আয়োজন করবে।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স