ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

কুড়িগ্রামে ৫০ পয়েন্টে তীব্র নদী ভাঙন

  • আপলোড সময় : ০২-০৮-২০২৪ ১২:৫৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৮-২০২৪ ১২:৫৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
কুড়িগ্রামে ৫০ পয়েন্টে তীব্র নদী ভাঙন
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে কুড়িগ্রামে তীব্র হয়েছে নদী ভাঙনঅন্তত ৫০টি পয়েন্টে ভাঙছে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, দুধকুমার ও গঙ্গাধরএলাকাবাসীর অভিযোগ, কাজে আসছে না পানি উন্নয়ন বোর্ডের জিও ব্যাগস্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি তাদেরযদিও বিষয়টি নিয়ে গতানুগতিক আশ্বাস সংশ্লিষ্ট বিভাগের।  একের পর এক ভেঙে পড়ছে নদীর পাড়ঘর-বাড়ি সরিয়ে কাটা হচ্ছে গাছভাঙনের কবলে কবরস্থান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনাগত এক মাসের ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়েছে জেলার প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙছে তিস্তার পারশুধু তিস্তা নয়, বন্যার পানি কমার সাথে সাথে জেলার অন্তত ৫০টি পয়েন্টে তীর ভাঙছে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা, দুধকুমার ও গঙ্গাধর নদীঘর-বাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়ে দিশেহারা ভাঙন কবলিতরা।  জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখা এলাকার আমির হোসেন জানান, স্বাধীনতার পর থেকে কয়েকবার বাড়ি ভেঙেছে তিস্তা নদীএবারও ভাঙনের কবলে পড়েছে
ভাঙন রোধে কোনো কাজ হচ্ছে নাআর এখানে থাকা যাবে নাঅন্য কোথাও যাওয়ার জায়গাও নেইগত ১৫ দিনে এই এলাকার কমপক্ষে ২০টি বাড়ি নদী ভাঙনের শিকার হয়েছেসদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের রলাকাটার চরের মইনুদ্দিন জানান, এই চরে আমার বাড়িসহ আরও ৫০টি বাড়ি বিলীন হয়েছে
আর ৫০টি বাড়ি গেলে চরটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেবার বার বলার পরও পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো কাজ করেনিঅন্য চরে মানুষের জমিতে বসত গড়েছিখুব কষ্টে পরিবার পরিজন নিয়ে দিন পার করছিএ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, ভাঙন কবলিত এলাকা বিবেচনা করে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে

 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য