ঢাকা , শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বিএসএফ মহাপরিচালকের ব্যাখ্যায় দ্বিমত বিজিবির ডিজির ১৪ সদস্যের ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন মৎস্য ভবনের সামনে সড়ক অবরোধ প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের শিশু ধর্ষণ আশঙ্কাজনক বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ সিলেটে পুকুর থেকে সাদাপাথর উদ্ধার ভোলাগঞ্জের পাথর লুট করে ১৫০০-২০০০ ব্যক্তি বাংলাভাষী লোকজনকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে দেশছাড়া করতে দেব না- মমতা রোডম্যাপকে স্বাগত জানাই-জোনায়েদ সাকি ইসির রোডম্যাপে খুশি বিএনপি-মির্জা ফখরুল ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে ইন্টার মায়ামি টাইব্রেকারে গ্রিমসবির কাছে হেরে বিদায় নিলো ম্যানইউ নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন হামজা ‘মুসলিম হওয়ার কারণে অনেকে আমাকে টার্গেট করেন’ ভারতের ২৬ বিশ্বকাপ জেতার সুযোগ দেখছেন না শ্রীকান্ত নতুন ক্যাটাগোরিতে বেতন কত কমল বাবর-রিজওয়ানের? বড় ব্যবধানে হারলো সাকিবের ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স বাংলাদেশকে হারানো সহজ হবে না: স্কট এডওয়ার্ডস রাকসু নির্বাচনের তফসিল ৩য় বারের মতো পুনর্বিন্যস্ত পিছিয়েছে ভোট জকসু নির্বাচনে বয়সসীমা থাকছে না

ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সংযোগ বন্ধ করুন

  • আপলোড সময় : ২৭-০৭-২০২৪ ১১:১৯:১৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৭-২০২৪ ১১:১৯:১৪ অপরাহ্ন
ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সংযোগ বন্ধ করুন
আনিসুর রহমান
রান্নায় জ্বালানি হিসেবে গ্যাসের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। শহরের পাশাপাশি শহরতলি, এমনকি গ্রামাঞ্চলেও আজকাল রান্নায় গ্যাসের ব্যবহার দেখা যায়। পাইপলাইনে বৈধ গ্যাস সরবরাহের পাশাপাশি অবৈধ সংযোগের সংখ্যাও কম নয়। সিলিন্ডারে গ্যাসের সরবরাহ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই চুলার সঙ্গে গ্যাসের সংযোগ নিরাপদভাবে করা হয় না। ফলে লিক বা ফাঁকফোকর দিয়ে গ্যাস বেরোতে থাকে। বদ্ধঘরে গ্যাস জমা হয়ে ঘরটি একটি গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয়। তখন আগুন জ্বালালে সারা ঘরে আগুন লেগে যায়। প্রায়ই ঘটছে এমন অগ্নিদুর্ঘটনা। একেকটি দুর্ঘটনায় একেকটি পরিবারের প্রায় সবাই পুড়ে মারা যায়। অত্যন্ত দুঃখজনক এসব ঘটনার পরও মানুষ গ্যাস ব্যবহারে যথেষ্ট সচেতন হচ্ছে না। শুধু গ্যাসজনিত অগ্নিদুর্ঘটনা নয়, অন্যান্য অগ্নিদুর্ঘটনার সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ২০২২ সালে মোট ৮৩ হাজার ২৪৫ জন দগ্ধ রোগী চিকিৎসা নিয়েছে। সময়ে এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ৯৮৪ জন।
বার্ন ইনস্টিটিউট ছাড়া দেশের অন্যান্য হাসপাতালেও অনেক রোগীর চিকিৎসা হয়। মৃত্যুও হয় অনেক রোগীর। দগ্ধ রোগীদের মধ্যে গ্যাসজনিত অগ্নিদুর্ঘটনার শিকার রোগী যেমন আছে, তেমনি আছে রান্না করার সময় আগুন লাগা, শীতে আগুন পোহানোর সময় দগ্ধ হওয়া, গরম পানি বহনের সময় দুর্ঘটনা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া ইত্যাদি। একেক সময় রোগী এত বেশি বেড়ে যায় যে বার্ন ইনস্টিটিউটে তাদের স্থান সংকুলান হয় না। অবস্থায় সরকার আরো পাঁচটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিটিতে ১০০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ বার্ন ইউনিট স্থাপনের কার্যক্রম শুরু করেছে। কিন্তু দুর্ঘটনার সংখ্যা যদি না কমে, তাহলে শুধু হাসপাতালের শয্যা বাড়িয়ে এই সমস্যার সমাধান করা যাবে কি? বিস্ফোরক অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, গ্যাসলাইনে যুক্ত হোজপাইপ, রেগুলেটর, গ্যাস ভালভ ইত্যাদি সঠিকভাবে লাগানো না হলে ফাঁকফোকর গলিয়ে গ্যাস বেরিয়ে আসতে পারে।
ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ থাকলে বা ভালো ভেন্টিলেশন না থাকলে ঘরেই গ্যাস জমা হতে থাকে। সময় ঘরে আগুন জ্বালালে বা স্পার্ক হলেও বিকট শব্দে সারা ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে। গ্যাস সিলিন্ডার, রেগুলেটর পাইপের মেয়াদ দেখে অনুমোদিত বিক্রেতাদের কাছ থেকে সেগুলো কিনে অভিজ্ঞ কারিগর দিয়ে চুলায় গ্যাসের সংযোগ দেওয়া উচিত। অধিদফতরের বিধিমালায়ও বেশ কিছু সতর্কতার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আমরা কয়জন সেসব জানি বা মেনে চলি? গ্যাসের ব্যবহারে আমরা যদি সচেতন না হই, তাহলে এমন যন্ত্রণাময় মৃত্যুর হাত থেকে আমরা রক্ষা পাব না। নিজের পরিবারের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে না। এজন্য নিয়মিত গ্যাসের সংযোগ পরীক্ষা করাতে হবে। ঘরের বায়ু চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে। আরো যেসব সতর্কতামূলক পদক্ষেপের কথা বলা হয়, সেগুলো মেনে চলতে হবে। মানুষকে সচেতন করার উদ্যোগ নিতে হবে।

ব্যবসায়ী, নারায়নগঞ্জ

 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য