ঢাকা , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ , ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
গোমস্তাপুরে হাঁস পালন করে ভাগ্য পরিবর্তন, তরুণদের অনুপ্রেরণা শরিফুল ইসলাম গোমস্তাপুরে বারোমাসি আম চাষে সাফল্যের গল্প নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে দু-একটি দল ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে-সালাহউদ্দিন আহমদ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখছে ইসি রোডম্যাপ ঘোষণা সুষ্ঠু নির্বাচন ভন্ডুলের নীল নকশা-তাহের আদালতের প্রতি ‘আস্থা’ নেই বলে জামিন চাননি লতিফ সিদ্দিকী বিচার-সংস্কার নির্বাচনের মুখোমুখি গ্রহণযোগ্য নয়-সাকি তথ্য ক্যাডারে অসন্তোষ হতাশা সিনিয়রদের নির্বাচন না হলে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে-মির্জা ফখরুল আমরা পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ নারায়ণগঞ্জে বিস্ফোরণে আরও ১ জনের মৃত্যু ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন- ফারুক নরসিংদীতে টনসিল অপারেশনে শিশুর মৃত্যু ২ চিকিৎসক আটক ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচিতে মানুষের ঢল, ১০ দফা ঘোষণা ডেমরায় শহীদ আবু সাঈদ মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের দাবি বিচার, সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ চাই- রাশেদ প্রধান প্রকৌশলীদের অধিকার রক্ষায় আইইবির বিবৃতি ৩ মাস পরও খুলছে না রহস্যের জট হাওর মহাপরিকল্পনার খসড়া প্রতিবেদন
ভরা মৌসুমেও চড়া ফলের বাজার

আড়াইশ টাকার নিচে নেই বিদেশি ফল

  • আপলোড সময় : ৩০-০৬-২০২৪ ১১:১৬:১০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-০৬-২০২৪ ১১:১৬:১০ পূর্বাহ্ন
আড়াইশ টাকার নিচে নেই বিদেশি ফল
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
দেশি ফলের ভরা মৌসুমে কদর কমলেও দাম কমেনি বিদেশি ফলের। এখনো খুচরা বাজারে আড়াইশো টাকার নিচে মিলছে না আপেল, আনার, কমলা মাল্টার মতো বিদেশি ফল।
বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে কমদামি বিদেশি ফল মাল্টা, যা কেজিপ্রতি ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খুচরা বাজারে প্রতি কেজি কমলা ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, আপেল ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা, নাসপাতি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা কিছু ফলের দাম ঈদের পরেই কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। দাম বাড়ার জন্য বাড়তি দরে শুল্কায়ন ডলারসংকটকে দায়ী করেছেন পাইকারি ফল ব্যবসায়ীরা। দামবৃদ্ধির তালিকায় রয়েছে- বিদেশি ডালিম লাল আঙুরও। প্রতি কেজি ডালিম বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে। এছাড়া লাল অঙুরের কেজি ৬০০ থেকে ৬৬০ টাকা। পল্টনে ফল ব্যবসায়ী দিদারুল আলম বলেন, এখন বিদেশি ফলের মৌসুমও নয়। যে কারণে আমদানি কম। এছাড়া ডলারের দামের কারণে গত রোজার মধ্যে থেকেই বিদেশি ফলের বাজার চড়া। বাজারে প্রচুর দেশি ফল রয়েছে। ক্রেতাদের আকর্ষণ এখন দেশি ফলে। তাই বিদেশি ফলের দাম নিয়ে কেউ মাথা ঘামাচ্ছেন না। সেখানে ফল কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী ফাহিম আহমেদ বলেন, বাজারে আম কাঁঠাল আছে। এখন বিদেশি ফল কিনছি না। এগুলো শেষ হলে দেখা যাবে ওইসবের (বিদেশি ফল) দাম কতো। বাজারে দেশি ফলের সরবরাহ খুব ভালো। আম, কাঁঠাল, আনারস, কলা, পেয়ারা, জামরুলসহ হরেক রকম দেশি ফল রয়েছে ওইসব দোকানে। ফল বিক্রেতারা বলেন, দেশি ফলের একদম ভরা মৌসুম চলছে, যে কারণে বিদেশি ফলের চাহিদা কমেছে। তবে দাম কমেনি সেই তুলনায়। আগে সময় বিদেশি ফল খুব কম দামে বিক্রি হতো। এবার ব্যতিক্রম। তবে, বাজারে এবার দেশি ড্রাগন ফলের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। দামও কম। প্রতি কেজি ড্রাগন ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ রয়েছে পর্যাপ্ত।
বাজারের তথ্য বলছে, গত রমজানে বিদেশি ফলের দাম অস্বাভাবিক ছিল। এরপর আস্তে আস্তে আপেল, কমলা মাল্টার মতো বিদেশি ফলের দাম বাড়তে থাকে। কোরবানির পর বিদেশি ফলের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ১০০ টাকা। এখনো তা কমেনি। ঢাকা মহানগর ফল আমদানি-রপ্তানিকারক আড়তদার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আবদুল করিম বলেন, ডলারের দাম বেশি। শুল্ক-করও এর মধ্যে কমানো হয়নি। আমদানিকারকরা এখনো কিছু জটিলতার মধ্যে রয়েছেন। সবমিলে আমদানি কম, দাম বেশি।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

সর্বশেষ সংবাদ