ঢাকা , বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
স্বরাষ্ট্র আইন ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি ডাকসু নেতাদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অপসারণসহ ৫ দাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের হাদির হামলাকারীরা সীমান্ত পেরিয়েছে কি-না, নিশ্চিত নয় বিজিবি সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীকে খুনসহ দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ সাংবাদিক আনিস আলমগীরের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন সহিংসতার আশঙ্কায় বাংলাদেশে ভ্রমণ সতর্কতা জারি মার্কিন দূতাবাসের ওসমান হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের পথে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়নি-সিইসি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ইসির নির্দেশ বিজয়ের অঙ্গীকার হোক মানুষের পাশে দাঁড়ানো-তারেক রহমান গরীব ও অবহেলিতদের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত জনপ্রিয়তা বিবেচনায় জোটের আসন বণ্টনের পরিকল্পনা ৮ ইসলামী দলের বিজয় উৎসবে প্যারাজাম্পের কারণে ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল চলাচল নতুন কূপে থেকে দিনে মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস চালুর আগে পারমাণবিক বাস নিয়ে রূপপুর প্রকল্পের প্রচারাভিযান আমৃত্যু কারাদণ্ডের পরিবর্তে হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আবেদন ওসমান হাদীকে গুলির ঘটনায় মামলা ডিবিতে হস্তান্তর সংসদ ও গণভোটে কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতার নির্দেশ সরকারের পেট্রোবাংলার পরিচালক রফিকুলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু নভেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫০৭ আহত ৮৯৯
ভরা মৌসুমেও চড়া ফলের বাজার

আড়াইশ টাকার নিচে নেই বিদেশি ফল

  • আপলোড সময় : ৩০-০৬-২০২৪ ১১:১৬:১০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-০৬-২০২৪ ১১:১৬:১০ পূর্বাহ্ন
আড়াইশ টাকার নিচে নেই বিদেশি ফল
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
দেশি ফলের ভরা মৌসুমে কদর কমলেও দাম কমেনি বিদেশি ফলের। এখনো খুচরা বাজারে আড়াইশো টাকার নিচে মিলছে না আপেল, আনার, কমলা মাল্টার মতো বিদেশি ফল।
বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে কমদামি বিদেশি ফল মাল্টা, যা কেজিপ্রতি ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খুচরা বাজারে প্রতি কেজি কমলা ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, আপেল ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা, নাসপাতি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা কিছু ফলের দাম ঈদের পরেই কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। দাম বাড়ার জন্য বাড়তি দরে শুল্কায়ন ডলারসংকটকে দায়ী করেছেন পাইকারি ফল ব্যবসায়ীরা। দামবৃদ্ধির তালিকায় রয়েছে- বিদেশি ডালিম লাল আঙুরও। প্রতি কেজি ডালিম বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে। এছাড়া লাল অঙুরের কেজি ৬০০ থেকে ৬৬০ টাকা। পল্টনে ফল ব্যবসায়ী দিদারুল আলম বলেন, এখন বিদেশি ফলের মৌসুমও নয়। যে কারণে আমদানি কম। এছাড়া ডলারের দামের কারণে গত রোজার মধ্যে থেকেই বিদেশি ফলের বাজার চড়া। বাজারে প্রচুর দেশি ফল রয়েছে। ক্রেতাদের আকর্ষণ এখন দেশি ফলে। তাই বিদেশি ফলের দাম নিয়ে কেউ মাথা ঘামাচ্ছেন না। সেখানে ফল কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী ফাহিম আহমেদ বলেন, বাজারে আম কাঁঠাল আছে। এখন বিদেশি ফল কিনছি না। এগুলো শেষ হলে দেখা যাবে ওইসবের (বিদেশি ফল) দাম কতো। বাজারে দেশি ফলের সরবরাহ খুব ভালো। আম, কাঁঠাল, আনারস, কলা, পেয়ারা, জামরুলসহ হরেক রকম দেশি ফল রয়েছে ওইসব দোকানে। ফল বিক্রেতারা বলেন, দেশি ফলের একদম ভরা মৌসুম চলছে, যে কারণে বিদেশি ফলের চাহিদা কমেছে। তবে দাম কমেনি সেই তুলনায়। আগে সময় বিদেশি ফল খুব কম দামে বিক্রি হতো। এবার ব্যতিক্রম। তবে, বাজারে এবার দেশি ড্রাগন ফলের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। দামও কম। প্রতি কেজি ড্রাগন ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ রয়েছে পর্যাপ্ত।
বাজারের তথ্য বলছে, গত রমজানে বিদেশি ফলের দাম অস্বাভাবিক ছিল। এরপর আস্তে আস্তে আপেল, কমলা মাল্টার মতো বিদেশি ফলের দাম বাড়তে থাকে। কোরবানির পর বিদেশি ফলের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ১০০ টাকা। এখনো তা কমেনি। ঢাকা মহানগর ফল আমদানি-রপ্তানিকারক আড়তদার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আবদুল করিম বলেন, ডলারের দাম বেশি। শুল্ক-করও এর মধ্যে কমানো হয়নি। আমদানিকারকরা এখনো কিছু জটিলতার মধ্যে রয়েছেন। সবমিলে আমদানি কম, দাম বেশি।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

সর্বশেষ সংবাদ