ঢাকা , শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বিএসএফ মহাপরিচালকের ব্যাখ্যায় দ্বিমত বিজিবির ডিজির ১৪ সদস্যের ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন মৎস্য ভবনের সামনে সড়ক অবরোধ প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের শিশু ধর্ষণ আশঙ্কাজনক বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ সিলেটে পুকুর থেকে সাদাপাথর উদ্ধার ভোলাগঞ্জের পাথর লুট করে ১৫০০-২০০০ ব্যক্তি বাংলাভাষী লোকজনকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে দেশছাড়া করতে দেব না- মমতা রোডম্যাপকে স্বাগত জানাই-জোনায়েদ সাকি ইসির রোডম্যাপে খুশি বিএনপি-মির্জা ফখরুল ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে ইন্টার মায়ামি টাইব্রেকারে গ্রিমসবির কাছে হেরে বিদায় নিলো ম্যানইউ নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন হামজা ‘মুসলিম হওয়ার কারণে অনেকে আমাকে টার্গেট করেন’ ভারতের ২৬ বিশ্বকাপ জেতার সুযোগ দেখছেন না শ্রীকান্ত নতুন ক্যাটাগোরিতে বেতন কত কমল বাবর-রিজওয়ানের? বড় ব্যবধানে হারলো সাকিবের ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স বাংলাদেশকে হারানো সহজ হবে না: স্কট এডওয়ার্ডস রাকসু নির্বাচনের তফসিল ৩য় বারের মতো পুনর্বিন্যস্ত পিছিয়েছে ভোট জকসু নির্বাচনে বয়সসীমা থাকছে না

কৃষি জমিতে থাকা গভীর নলকূপে নেই বিদ্যুৎসংযোগ ॥ ভোগান্তিতে চাষিরা

  • আপলোড সময় : ২৭-০২-২০২৪ ০৩:৪৪:২১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০২-২০২৪ ০৩:৪৪:২১ অপরাহ্ন
কৃষি জমিতে থাকা গভীর নলকূপে নেই বিদ্যুৎসংযোগ ॥ ভোগান্তিতে চাষিরা
হিলিকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় এনেছে সরকার। অথচ এই উপজেলার কোকতারা গ্রামের ৩০০ বিঘা কৃষি জমিতে থাকা গভীর নলকূপে নেই কোনো বিদ্যুৎসংযোগ। ফলে বিগত পাঁচ বছর ধরে ডিজেল চালিত মেশিন দিয়ে জমিতে পানি সেচ দিয়ে আসছেন কৃষকরা। এতে কয়েকগুণ বাড়তি খরচ হচ্ছে তাদের। বিভিন্ন দফতরে ঘুরেও বিদ্যুৎ সংযোগ না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ কৃষকরা।  
গত সোমবার কোকতারা গ্রামের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৩শ বিঘা জমিতে রয়েছে একটি গভীর নলকূপ। এই নলকূপের পাশ দিয়ে রয়েছে বিদ্যুতের পোলসহ সংযোগ। কিন্তু জমির নলকূপের সঙ্গে নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। 
ডিজেলচালিত মেশিন দিয়ে বিঘা বিঘা জমিতে সেচ দিয়ে ফসল ফলাচ্ছেন কৃষকরা। 
এজন্য বিঘাপ্রতি পানির মূল্য দিতে হচ্ছে চাষিদের প্রায় ৪ হাজার টাকা। অথচ বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে জমি সেচ দিতে বিঘাপ্রতি তাদের খরচ হতো ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা। ফলে বছরে তিনটি ফসল ফলাতে লোকসানের সম্মুখীন হতে হচ্ছে বলে দাবি কৃষকদের। 
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০০৪ সালে প্রথম বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে কোকতারা গ্রামে চালু হয় গভীর নলকূপ। ২০১৮ সাল পর্যন্ত কৃষকরা নলকূপ থেকে পানি পেয়েছেন। কিন্তু কাদের নামের এক প্রভাবশালী নলকূপটিকে নিজের বলে দাবি করেন। তিনি প্রভাব খাটিয়ে নলকূপটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। কোকতারা গ্রামের কৃষক মহির উদ্দিন, আলম হোসেন, জহুরুল ইসলামসহ কয়েকজন বলেন, সরকার আমাদের উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় এনেছে। অথচ আজ আমরা কৃষি কাজে বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন। গত ৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ না পেয়ে জমি চাষাবাদে আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তারা আরও বলেন, বছরে আমরা তিনটি ফসল ফলায় জমিতে। ডিজেল দিয়ে আবাদ করতে আমাদের কয়েকগুণ বাড়তি খরচ হয়। একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রেখেছেন। অভিযোগ দিয়েও আমাদের সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত কাদেরের মোবাইল নম্বরে কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।  
হাকিমপুর (হিলি) উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনুর রেজা শাহিন বলেন, আমি বিষয়টি জানি। গত ৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ নেই, আগে সংযোগটি ছিল। কাদের নামের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি তার প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন। 
এতো জমিতে ডিজেল চালিত মেশিন দিয়ে পানি সেচ দিতে চাষিরা হিমশিম খাচ্ছেন। আমি সরকার এবং জেলা প্রশাসকের কাছে অনুরোধ করছি দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে এই ৩০০ বিঘা জমিতে ফসল ফলাতে কৃষকদের উৎসাহিত করার জন্য। হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অমিত রায় বলেন, কোকতারা গ্রামের গভীর নলকূপের বিষয়টি অবগত আছি। কয়েক দিনের মধ্যে গ্রামবাসীসহ দুই পক্ষকে নিয়ে বসবো। এর একটা সমাধান করবো। দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর হিলি শাখার এজিএম বিশ্বজিৎ সরকার বলেন, এটা পুরাতন বিষয়। আমাকে ফাইল দেখতে হবে। আপনি অফিসে এসে তথ্য জেনে যান।


 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য