ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ , ২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
থাইল্যান্ডে নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ বায়ুদূষণের জেরে দিল্লিতে নির্মাণকাজে নিষেধাজ্ঞা, ক্লাস হবে অনলাইনে সিডনি সৈকতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ মার্কিন প্রেসিডেন্টের নতুন বিমান ডেলিভারি পিছিয়ে গেছে কাম্বোডিয়া সীমান্তে গোলাবর্ষণ, থাই গ্রাম পাহারা দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবকরা দেশে ফিরেই বড় ঘোষণা দিলেন মিম বিয়ের পরও ধর্ষণ মামলা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না নোবেল লাল বেনারসিতে দ্যুতি ছড়ালেন সাদিয়া আয়মান ফের বিতর্কে জড়ালেন পরীমণি আইসিসির মাসসেরা হলেন হারমার যৌথ বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করলো অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড বোর্ড পিছিয়ে যেতে পারে পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফর শোয়াই ফেলবো একদম : শান্ত নেপালকে হারিয়ে সেমির পথে বাংলাদেশ পুষ্পস্তবক অর্পণকালে স্মৃতিসৌধের ফুলের বাগানের ক্ষতি করা যাবে না বিজয় দিবস পালনে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ঘিরে ৪ স্তরের নিরাপত্তা হাদির ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা নজরদারি বাড়ানো বৃদ্ধি শ্রীপুরে বিএনপি ঐক্যবদ্ধ পোরশায় কৃষি প্রণোদনা প্রান্তিক চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে সার, বীজ বিতরণ হবিগঞ্জে গাছখেকো-বনরক্ষি গোলাগুলি ৫০ জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

শুরু হচ্ছে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ

  • আপলোড সময় : ০৯-১১-২০২৫ ১১:৫৭:৪৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-১১-২০২৫ ১১:৫৭:৪৬ অপরাহ্ন
শুরু হচ্ছে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ

* ১৩ নভেম্বর নির্বাচনের প্রস্তুতি ও নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজন নিয়ে আলোচনা হবে
* প্রতি সেশনে ৬টি করে দুই সেশনে ১২টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি থাকবে
* সংলাপ শুরু হলে সর্বশেষ বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে সংলাপ করবে ইসি
* শিক্ষক, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা হবে
* ১৪ দলীয় জোটকে না ডাকার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন
হাবিবুর রহমান
আসন্ন ত্রয়োদশ ?জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সংলাপ শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ১৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার। সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজন নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে আলোচনা হবে। সংলাপে প্রতি সেশনে ৬টি করে মোট দুই সেশনে ১২টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি থাকবে। এছাড়াও শিক্ষক, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা করবে ইসি। তবে সংলাপ শুরু হলে সর্বশেষ বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে সংলাপ করবে নির্বাচন কমিশন। তবে ১৪ দলীয় জোটকে না ডাকার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ইসি। গতকাল রোববার নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা এ তথ্য জানানো হয়।
ইসি জানায়, নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি সেশনে ৬টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি থাকবেন। একদিনে দুটি সেশনে ১২টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিকে ডাকার কথা আছে। ১৩ নভেম্বর সংলাপ শুরু হলে সর্বশেষ বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর সঙ্গে সংলাপ করবে নির্বাচন কমিশন। এর আগে শিক্ষক, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ করেছে নির্বাচন কমিশন। এ সংলাপে জাতীয় পার্টি, জাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, জাকের পার্টি, তরিকত ফেডারেশন, সাম্যবাদী দল, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিসহ ১৪ দলীয় জোটের কাউকে না ডাকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে আগামী ১৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপে বসবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তিনি বলেন, ১৩ নভেম্বর থেকে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সকাল ও বিকেলে দুই বেলা করে সংলাপ হবে। জাতীয় পার্টি, জাসদ, গণতন্ত্রি পার্টি, জাকের পার্টি, তরিকত ফেডারেশন, সাম্যবাদী দল, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিসহ ১৪ দলীয় জোটকে সংলাপে না ডাকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে। কোন দলের সঙ্গে কখন বসা হবে, সেটি এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। আগামী সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি। এবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরুর আয়োজন চলছে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের চূড়ান্ত আচরণ বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশিত হওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের সময় নির্ধারণ করা হবে। সংলাপের ব্যাপারে আমরা অপেক্ষায় রয়েছি। প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলের আচরণ বিধিমালার গেজেট পেলেই সংলাপের সময় ঠিক করে নেবো। ইতোমধ্যে আচরণবিধি চূড়ান্ত করার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। কমিশন চায় সব রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরো স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক করতে। গেজেট প্রকাশের পরেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপ শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন চায়, সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক এবং জনগণের আস্থা অর্জনকারী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। এজন্য কমিশন সংলাপকে একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করছে। রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের মতামতও নেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংলাপে আচরণবিধির বাস্তব প্রয়োগ, প্রার্থীদের আচরণ, প্রচারণার নিয়ম, নির্বাচনী ব্যয় ও মিডিয়ার ভূমিকা-এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। কমিশন চায় সংলাপ শেষে একটি গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবভিত্তিক আচরণবিধি কার্যকর করা। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সবসময় সংলাপ ও সমঝোতার মাধ্যমে এগোতে চায়। আমরা চাই রাজনৈতিক দলগুলো আস্থা নিয়ে অংশগ্রহণ করুক, যাতে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক হয়।
উল্লেখ্য, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে সংসদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি প্রায় গুছিয়ে এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চলতি মাসের মধ্যে প্রাক-প্রস্তুতি শেষ করে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার চিন্তা আছে কমিশনের।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স