ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

বাজারে ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

  • আপলোড সময় : ০৮-০৬-২০২৪ ১০:৪২:৩২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-০৬-২০২৪ ১০:৪২:৩২ অপরাহ্ন
বাজারে ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য
জন্ম থেকে শুরু করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রোগ প্রতিরোধ করে জীবন বাঁচাতে আমরা ওষুধ সেবন করি। কিন্তু জীবনরক্ষাকারী ওষুধেও ভেজাল। ফলে বিপন্ন হচ্ছে আমাদের জীবন। অথচ সর্বত্র ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি। হাত বাড়ালেই মিলছে ভেজাল ওষুধ। নকল, ভেজাল মানহীন ওষুধে বাজার সয়লাব হয়ে যাওয়ার খবর প্রায়ই গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। ফলে রোগ নিরাময়ের আশায় ওষুধ কিনতে গিয়েও মানুষের মনে নানা সংশয় কাজ করে। ওষুধ ভালো না মন্দ, নকল না আসল, তা যাচাই করার ক্ষমতা সাধারণ মানুষের নেই। ফলে খুব সহজেই প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ জনগণ। বছরের পর বছর ধরে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া পত্রিকাগুলো নকল, ভেজাল ক্ষতিকর ওষুধ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তসহ হরেক রকম প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। দিন দিন যেন নকল, ভেজাল ক্ষতিকর ওষুধের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে। দেখা যাচ্ছে মূল কোম্পানির ওষুধের মতো হুবহু লেবেলে নকল ওষুধ বিক্রি হচ্ছে। মূল কোম্পানির ওষুধের চেয়ে দাম কম হওয়ায় এসব ওষুধ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতারা। এতে করে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। রোগীর লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক, অস্থিমজ্জা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ওষুধ কসমেটিক আইন-২০২৩ অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া বা লাইসেন্সের শর্তের বাইরে গিয়ে ওষুধ ৎপাদন, নিবন্ধন ছাড়া ওষুধ ৎপাদন, আমদানি-রফতানি, মজুত বা প্রদর্শন এবং সরকারি ওষুধ বিক্রি বা মজুত বা প্রদর্শন করলে ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি রেজিস্টার্ড চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি ব্যবহার বন্ধেরও বিধান রয়েছে আইনে। এই বিধান লঙ্ঘন করলে সেটি অপরাধ হবে এবং সে জন্য শাস্তি পেতে হবে। আইনে মোট ৩০টি অপরাধের জন্য বিভিন্ন ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে। কিন্তু এই আইনের প্রয়োগে কঠোর না হওয়ার কারণে কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না ভেজাল ওষুধের ৎপাদন বিপণন। ফলে আমাদের আগামী প্রজন্ম রয়েছে ভীষণ ঝুঁকির মধ্যে। এটি একটি জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। তাই এখনি দেশে নকল ভেজাল ওষুধের কারবারিদের নির্মূল করতে হবে যে কোনো উপায়ে। এজন্য ওষুধের বাজারে নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে। নকল ওষুধের সব কারখানা খুঁজে বের করতে হবে। ধরনের ওষুধের বিক্রেতাদেরও আনতে হবে কঠোর শাস্তির আওতায়। ওষুধে ভেজালে শাস্তি শুধু জেল-জরিমানার মধ্যে সীমিত না রেখে আইনে সংশোধন এনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য